দিনের খবর মত-বিশ্লেষণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: প্রেরণার বাতিঘর

মো. জাহিদ হাসান: আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবস। ২০২০ সালে এসে প্রতিষ্ঠার ৯৯তম বছর পূর্ণ করে ১০০তম বছরে পা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও সেরা এ বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একই সঙ্গে শতবর্ষও উদ্যাপন করবে। ১৮ কোটি মানুষের দেশে মেধাবীদের লালন, চর্চা ও বিকাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনন্য একটি নাম। এটি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ই নয়, বরং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টির শুরুতেই নানা প্রতিকূলতার ও বিপত্তির সম্মুখীন হয়। বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী ও শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ। ১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয় নাথান কমিটির ইতিবাচক রিপোর্ট এবং সে বছরের ডিসেম্বর মাসেই সেটি অনুমোদিত হয়। ১৯১৭ সালে গঠিত স্যাডলার কমিশনও ইতিবাচক প্রস্তাব দিলে ১৯২০ সালের ১৩ মার্চ ভারতীয় আইন সভা পাস করে ‘দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট (অ্যাক্ট নং-১৩), ১৯২০’। ১৯২০ সালের ২৩ মার্চ গভর্নর জেনারেল এ বিলে সম্মতি দেন (সূত্র: বাংলাপিডিয়া)। এ আইনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ভিত্তি। এ আইনের বাস্তবায়নের ফলাফল হিসেবে ১৯২১ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯২৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বাংলার গভর্নর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর লর্ড লিটন ১৯২২ সালের স্নাতক ডিগ্রিপ্রাপ্ত ছাত্রদের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে I have already stated in public that in my opinion this university is DaccaÕs greatest possession and will do more than anything else to increase and spread the fame of Dacca beyond the limits of Bengal or even of India itself. এ বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়, বাঙালির সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অর্জনের পেছনে পথিকৃতের ভূমিকা নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’ শিখা পত্রিকার এ সেøাগান সামনে রেখে ১৯২৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল হুসেনের নেতৃত্বে ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ‘বুদ্ধির মুক্তি’ নামে পরিচিত। এ আন্দোলন ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কারবিরোধী একটি প্রগতিশীল আন্দোলন। কাজী আব্দুল ওদুদ, আবুল হুসেন, কাজী মোতাহার হোসেন ও আবুল ফজলের মতো প্রগতিশীল ও মুক্ত চিন্তার বাহকেরা ছিলেন এই আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব। একে বলা যায়, বিংশ শতাব্দীতে বাঙালি মুসলমান সমাজে রেনেসাঁস। পরবর্তীকালে ঢাবি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের গৌরবদীপ্ত ইতিহাস সৃষ্টি করে।

মহান ভাষা আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শাহাদতবরণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এমএ শেষ পর্বের ছাত্র আবুল বরকত। একটি জাতি নিজ ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে, যা আজ পর্যন্ত পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যে ছাত্রটি নূরুল আমিনকে নির্বাচনী ভোটে পরাজিত করেছিলেন, সেই খালেক নেওয়াজও ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট-বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে, যার সম্মুখভাগে ছিল ঢাবির ছাত্রসমাজ। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে এমএ শেষ বর্ষের ছাত্র আসাদুজ্জামান। ১৯৬৬ সালে ছয় দফা ও ১৯৬৯ সালের ১১ দফার আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ঢাবি। ১৯৭১ সালের ২ মার্চে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয় প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান সর্বাগ্রে। মানবতার ইতিহাসে পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধ করেছিল নিরস্ত্র নিরীহ শত শত ছাত্র-শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হত্যা করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর ক্যাম্পাস মুখর হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, পিজে হার্টগ, জি এইচ ল্যাংলি, তাজউদ্দীন আহমদ, সত্যেন্দ্রনাথ বসু (সত্যেন বোস), হর প্রসাদ শাস্ত্রী, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, রমেশ চন্দ মজুমদার, জ্ঞানতাপস আবদুর রাজ্জাক, আহমদ শরীফ, সরদার ফজলুল করিম, কাজী মোতাহার হোসেন, মুনীর চৌধুরী, বুদ্ধদেব বসু, আনোয়ার পাশা, মুহাম্মদ ইউনূস, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, আনিসুজ্জামান, আহমদ ছফা, হুমায়ূন আহমেদ, হুমায়ুন আজাদসহ দেশবরেণ্য অসংখ্য বিজ্ঞানী, গবেষক, রাজনীতিক ও জ্ঞানীগুণী মনীষীর পদচারণে। তারা জ্ঞানের আলো জ্বালিয়েছেন এই ক্যাম্পাসে। বিগত ৯ দশকে এই বিদ্যাপীঠ তৈরি করেছে বহু জ্ঞানী-গুণীজন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, বিজ্ঞানী, শিক্ষক আর লাখ লাখ গ্র্যাজুয়েট। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে অবদান রেখে চলেছেন তারা।

দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা গর্বিত। তবে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে।

ঢাবিতে ৫৬টি গবেষণা ব্যুরো ও কেন্দ্র রয়েছে (Drm: du.ac.bd), , যদিও কারও মৌলিক গবেষণা নেই বললেই চলে। এমনকি পর্যাপ্ত জনবল ও অফিস নেই। ২০১৯-২০ অর্থবছরের ৮১০ কোটি টাকার বাজেটে গবেষণা খাতে বরাদ্দ মাত্র ১৬ কোটি টাকা, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুন্নয়ন বাজেটের মাত্র দুই শতাংশ। শিক্ষা ও গবেষণার মান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতা করার মতো করে গড়ে তুলতে নজর দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের প্রধান সমস্যা আবাসন সংকট। এ সংকট সাম্প্রতিক বছরগুলোয় শিক্ষা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করেছে এবং তীব্র হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩টি অনুষদ, ৮৩টি বিভাগ, ১২টি ইনস্টিটিউট, ২০টি আবাসিক হল ও তিনটি ছাত্রাবাস রয়েছে। সৃষ্টি হয়েছে গণরুমের। আবাসিক হলগুলো থেকে বহিরাগত ও অছাত্র মুক্ত করা এবং আবাসন সংকটের আশু সমাধান কাম্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা সংস্থাও খুব যে কার্যকর তা নয়। ২০১৯ সালে তিনটি, ২০১৮ সালে দুটি, ২০১৭ সালে একটি ও ২০১৬ সালে চারটি বই প্রকাশিত হয়েছিল। ২০১৫ ও ২০১৪ সালে কোনো বই প্রকাশিত হয়নি। চলতি বছরও কোনো নতুন বই প্রকাশ করতে পারেনি প্রায় শতবর্ষী এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা সংস্থাটি (সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার, ২ মার্চ, ২০২০)।

প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ঢাবির র‌্যাংকিংয়ে অবনমন হচ্ছে। এর জন্য দায়ী মূলত গবেষণার অপর্যাপ্ত বাজেট এবং অপ্রতুল গবেষণা উদ্যোগ। অধিকতর গবেষণায় শিক্ষকদের নিযুক্ত করার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণমান বাড়ানো সময়ের দাবি।

শিক্ষার গুণগত মান ও শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশ উন্নয়ন এবং অধিকতর দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে বিভাগ-ইনস্টিটিউটের সক্ষমতা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা বিবেচনা করে শিক্ষার্থী ভর্তির আসনসংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে।

ঢাবিতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ৪৯ বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছে (সূত্র: বিডিনিউজ, ২৯ নভেম্বর, ২০১৯)। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়ের যথাযথ পরিচিতি না থাকা, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত আবাসনের অভাব, জটিল ভর্তি প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে বিদেশি শিক্ষার্থী বাড়ছে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অধ্যয়নের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা উচিত। ‘শিক্ষার পরিবেশ’ শব্দটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। এক্ষেত্রে শিক্ষার পরিবেশ এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীর নিরাপত্তার বিষয়টি ভাবতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পড়ার জায়গা নয়, চিন্তা করার জায়গাও। এজন্য দরকার একটি ভালো ও সুস্থ পরিবেশের। কিন্তু বহিরাগত যানবাহনের অবাধ চলাচলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সে পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব স্বকীয়তাও হুমকিতে পড়ে। ক্যাম্পাস সব সময় থাকবে মনোরম। বাজারের পরিবেশ তৈরি হবে না কোথাও, এমনটাই প্রত্যাশা।

জাতীয় আন্দোলনের নেতৃত্ব গড়ে উঠেছে ছাত্ররাজনীতির প্রাণকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) থেকে। প্রায় তিন দশক পর দীর্ঘ প্রত্যাশিত ডাকসু নির্বাচন (১১ মার্চ, ২০১৯) একটি গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের মাইলফলকও বটে। এর কার্যক্রম বহুকাল বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাবও পড়েছিল। ডাকসু নির্বাচনের যে ধারা প্রায় তিন দশক পর চালু হয়েছে, তা অব্যাহত থাকুক।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি। অপ্রতুল চিকিৎসক, দায়িত্বে অবহেলা, ওষুধের কৃত্রিম সংকট, প্যাথলজিতে কালক্ষেপণসহ নানা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে।

ঢাবিতে উত্তরোত্তর বিভাগ ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বাড়ছে না লাইব্রেরির আসনসংখ্যা। দেশের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার এক করুণ চিত্র দেখা যায়। প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে তাদের পড়াশোনার জন্য লাইব্রেরি রয়েছে মাত্র একটি, যার আসনসংখ্যা মাত্র ৬৬০টি অথবা তার চেয়ে কিছু বেশি। যুগোপযোগী বই না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার চাহিদা পরিপূর্ণভাবে মেটাতে পারছে না গ্রন্থাগারটি। গ্রন্থাগার আধুনিক, যুগোপযোগী ও শিক্ষার্থীদের চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে এমন মানের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি নির্মাণ করা জরুরি। 

কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদের একটি উক্তি প্রণিধানযোগ্য। তা হলো, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস মানেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস।’ প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শুধু উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেই ঢাবি ভূমিকা পালন করেনি, বরং এ ভূখণ্ডের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে রেখেছে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। 

একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে যেতে হবে। উচ্চশিক্ষার ও টেকসই উন্নয়নের মধ্যে যে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক, সেই ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভিত্তিক, উদার ও মানবিক গুণসম্পন্ন এক সমাজ গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ্বাস করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের প্রতিটি সদস্য। বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সত্যিকার অর্থে ভবিষ্যতেও জাতির দিকনির্দেশক হিসেবে ভূমিকা পালন করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তাই স্বাধিকার, স্বাধীনতা, স্বকীয়তা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের তীর্থভূমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতির বাতিঘর হিসেবে বেঁচে থাকুক হাজার বছর। 

শিক্ষার্থী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
ট্যাগ ➧

সর্বশেষ..