শেষ পাতা

ঢাকা-সিলেট চার লেন প্রকল্প ঝুলে যাওয়ার আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা-সিলেট চার লেন মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্প জুন মাসের মধ্যে অনুমোদন হলে জুলাই মাস থেকে অর্থ ছাড় করতে প্রস্তুত এডিবি (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক)। কিন্তু এ বছরের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্প অনুমোদন না হলে তা এক বছর পিছিয়ে যাবে। এতে আসতে পারে নতুন প্রকল্প, অর্থ চলে যেতে পারে অন্য খাতে। বন্ধ হয়ে যেতে পারে এডিবির অর্থায়ন।

জানা যায়, আগামী জুলাই মাসের মধ্যে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি চূড়ান্ত হলে সেপ্টেম্বরে চুক্তি সই হবে। এডিবির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মহাসড়কের নকশা অবশ্যই জুন মাসের মধ্যে অনুমোদন হতে হবে। আর সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বলছেন, প্রকল্প পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে আরও দেড়-দুই মাস সময় লাগবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এডিবি বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে দেখা করেন। তিনি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অর্থ ফেরতের আশঙ্কার বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। দ্রুত প্রকল্প অনুমোদনের বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলীসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যেন জুন মাসের মধ্যে অনুমোদনের ব্যবস্থা নেন, সে বিষয়ে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সওজের তথ্যমতে, ঢাকা-সিলেট রুটে ২১৪ দশমিক ৪৪ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা ছাড়াও উভয় পাশে ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া পুরো চার লেনের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলো সরলীকরণ করা হবে, যাতে ৮০ কিলোমিটার গতিতে যান চলাচল করতে পারে। এছাড়া প্রকল্পটির আওতায় ৩২১টি কালভার্ট, ৭০টি ছোট-মাঝারি সেতু, পাঁচটি রেল ওভারপাস, চারটি ফ্লাইওভার, ১০টি আন্ডারপাস ও ৪২টি ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হবে।

ঢাকা-সিলেট চার লেন বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছিল ১২ হাজার ৬১০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। চলতি বছর শুরু হয়ে ২০২২ সালের জুনে প্রকল্পটি শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। এছাড়া ঢাকা-সিলেট-তামাবিল পর্যন্ত চার লেন নির্মাণে জমি অধিগ্রহণের জন্য পৃথক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
ট্যাগ »

সর্বশেষ..