কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের দর বেড়েছে ৪৯.৪৮%

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বস্ত্র খাতের কোম্পানি তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড গত সপ্তাহে দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৪৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, গত সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড় লেনদেন হয়েছে ৭৫ লাখ ৪৫ হাজার ৪০০ টাকার শেয়ার। সপ্তাহ শেষে মোট লেনদেনের পরিমাণ তিন কোটি ৭৭ লাখ ২৭ হাজার টাকা।

সম্প্রতি তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (ক্রিসেল)। কোম্পানিটি দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এ প্লাস’ ও স্বল্প মেয়াদে পেয়েছে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।

২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এক শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১২ পয়সা, আর ২০১৯ সালের ৩০ জুন শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৬৮ পয়সা। ওই সময় শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৮৮ পয়সা (লোকসান)। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ২৩ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস কনভেনশন সেন্টার, ডিওএইচএস বারিধারায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে কোম্পানিটি চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আর গত বছরের তুলনায় এ বছর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে। প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৭২ পয়সা (লোকসান), যা আগের বছর একই সময় ছিল ১১ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে ৮৩ পয়সা। এছাড়া ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৯৬ পয়সা, যা ২০১৯ সালের ৩০ জুনে ছিল ৩১ টাকা ৬৮ পয়সা। আর এ প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে দুই টাকা ৫২ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল এক টাকা ৬৭ পয়সা।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর সাত দশমিক ৩০ শতাংশ বা এক টাকা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ১৪ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১৪ টাকা ৫০ পয়সা। দিনজুড়ে পাঁচ লাখ ৩৪ হাজার ৯০২ শেয়ার ৩৫২ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৭৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১৩ টাকা ৬০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১৪ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর আট টাকা থেকে ২৩ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

কোম্পানির ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৬৬ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১০২ কোটি ৮৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

কোম্পানির মোট ছয় কোটি ৬৩ লাখ ২৬ হাজার ৯৪৬ শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৪৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ২৪ দশমিক ৮২ শতাংশ ও বাকি ২৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সায়হাম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে ৩৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে দুই কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার।

এদিকে সবশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে শেয়ারদর তিন দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ বা এক টাকা ২০ কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৩৮ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩৮ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে ৬২ হাজার ১৩৫টি শেয়ার ১৫২ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ২৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৩৮ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪১ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ২৫ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৬৮ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৯৭ পয়সা (লোকসান), আর ২০১৯ সালের ৩০ জুন শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৩৭ পয়সা। ওই সময় শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে এক টাকা ১৯ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ১২ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১২টায় হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার সায়হাম নগরে অবস্থিত কোম্পানির কারখানা প্রাঙ্গনে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে কোম্পানিটি চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আর গত বছরের তুলনায় এ বছর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে। প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৩১ পয়সা, আগের বছর একই সময় ছিল ৫১ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় কমেছে ২০ পয়সা। এছাড়া ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৬৫ পয়সা, যা ২০১৯ সালের ৩০ জুনে ছিল ৪৩ টাকা ৩৭ পয়সা। আর এ প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৫ টাকা ৬৭ পয়সা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..