পর্ষদ সভা

তিন কোম্পানির পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড ও ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডেল্টা লাইফ: আগামী ২৭ জুন সন্ধ্যা ৬টায় পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।
২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ২৪ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর গুলশান-২ এ অবস্থিত ডেল্টা লাইফ টাওয়ারে (প্লট-৩৭, রোড-৯০) বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ জুলাই।
এদিকে গতকাল ডিএসইতে শেয়ারদর শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ বা ৬০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ১০০ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১০০ টাকা ১০ পয়সা। ওইদিন কোম্পানিটির ৪৯ হাজার ৮৬৯টি শেয়ার মোট ১৯১ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৪৯ লাখ ৯১ হাজার টাকা। আর দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০১ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে। এক বছরের মধ্যে শেয়ারদর ৯২ টাকা থেকে ১২৫ টাকা ৫০ পয়সায় ওঠানামা করে।
বিমা খাতের এ কোম্পানিটি ১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১২৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটির ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪২ দশমিক পাঁচ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারী দুই দশমিক আট শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩৩ দশমিক ৫০ শতাংশ শেয়ার।
ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড: আগামী ২৯ জুন বিকাল ৪টায় পরিচালনা পর্ষদ সভায় কোম্পানিটির ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।
এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর দুই দশমিক ৭০ শতাংশ বা ৩০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ১০ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১০ টাকা ৯০ পয়সা। ওইদিন আট লাখ ৯৬ হাজার ৭২৫টি শেয়ার মোট ৩৪৭ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৯৮ লাখ ১৫ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১১ টাকা ১০ পয়সায় ওঠানামা করে। এক বছরের মধ্যে শেয়ারদর ৯ টাকা থেকে ১৮ টাকা ৪০ পয়সায় ওঠানামা করে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের এ কোম্পানিটি ২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ২১১ কোটি ২৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৫৯ কোটি ৬৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির ২১ কোটি ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৫৪টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪১ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ২৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারী এক দশমিক ৩১ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩০ দশমিক ৩০ শতাংশ শেয়ার। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত পাঁচ দশমিক ২৯ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১৩ দশমিক ৬৩।
ফার্স্ট ফাইন্যান্স: আগামী ২৯ জুন বেলা আড়াইটায় পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।
এদিকে গতকাল ডিএসইতে শেয়ারদর অপরিবর্তিত থেকে প্রতিটি সর্বশেষ ছয় টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল সাত টাকা ১০ পয়সা। দিনজুড়ে এক লাখ ৫২ হাজার ৪২৫টি শেয়ার মোট ৫২ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ১০ লাখ ৯২ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ ছয় টাকা ৯০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ সাত টাকা ৪০ পয়সায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর চার টাকা ৬০ পয়সা থেকে আট টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। যা ২০১৩ সালে ছিল ১০ শতাংশ বোনাস। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৬ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৬৪ পয়সা। ওই সময় করপরবর্তী মুনাফা করে সাত কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস এক টাকা ৩২ পয়সা আর এনএভি হয়েছিল ১৪ টাকা ২৭ পয়সা। এবং কর-পরবর্তী মুনাফা করে ১৩ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের এ কোম্পানিটি ২০০৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘জেড’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৩৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির ১১ কোটি ৬২ লাখ ২০ হাজার ২৫৮টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪১ দশমিক ৪৫ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪০ দশমিক ২২ শতাংশ শেয়ার। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৮৮ দশমিক ৭৫।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..