বিশ্ব সংবাদ

তুরস্ক ও গ্রিসে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭

শেয়ার বিজ ডেস্ক: তুরস্কে শক্তিশালী (ছয় দশমিক ছয় মাত্রা) ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে। তুরস্কের বিপর্যয় ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা বিষয়ক কর্তৃপক্ষ (এএফএডি) হতাহতের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেশী গ্রিসেও কম্পনটি আঘাত হানে। সেখানে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। দুই দেশ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ২৭। খবর: বিবিসি, ডেইলি সাবাহ।

গত শুক্রবার দুপুরে এজিয়ান সাগর উপকূলে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ছয় দশমিক ছয়। কম্পনের তীব্রতায় বহু ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। ১২টি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে আটকেপড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। এর মধ্যে চারটি ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ইজমিরের গভর্নর ইয়াভুজ সেলিম কসগর। তিনি জানান, ধসে পড়া ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপ থেকে এখন পর্যন্ত ৭০ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর তুরস্কের উপকূলবর্তী শহর ইজমিরে আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন লোকজন। ইজমিরের মেয়র জানিয়েছেন, শহরের ২০টি বাড়ি ভেঙে পড়েছে। এটি তুরস্কের তৃতীয় বৃহত্তম শহর। জনসংখ্যা প্রায় ৪৫ লাখ। বিপর্যয় ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা বিষয়ক কর্তৃপক্ষ (এএফএডি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ইজমিরের উপকূল থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে।

এদিকে গ্রিসের পূর্ব উপকূলে কম্পন অনুভূত হয়েছে। রাজধানী এথেন্সেও কম্পন অনুভূত হয়। গ্রিসের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সামোস ও অন্যান্য দ্বীপের বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। সেইসঙ্গে পাথর গড়িয়ে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। তবে গ্রিসের চেয়ে তুরস্কে কম্পনের তীব্রতা বেশি থাকায় দেশটির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হয়েছে।

বোজাজি ইউনিভার্সিটির অবজারভেটরি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান অধ্যাপক হালুক এজেনার ইস্তাম্বুলে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ভূমিকম্পের পর তিন দশমিক তিন থেকে চার দশমিক আট মাত্রার মধ্যে ১৯টি আফটার শক হয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..