কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

তৃতীয় সাবমেরিন কেব্ল স্থাপন এবং নাম পরিবর্তন করবে বিএসসিসিএল

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৃতীয় সাবমেরিন কেব্ল স্থাপন করছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত টেলিযোগাযোগ খাতের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন  কেব্ল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। একইসঙ্গে কোম্পানিটির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিচালনা পর্ষদ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, গত সোমবার কোম্পানিটির ১৯১তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৃতীয় সাবমেরিন কেব্ল স্থাপন প্রকল্পের আওতায় এসএমডব্লিউ-৬ কনসোর্টিয়াম-২ অ্যান্ড এএসসি কর্তৃক চূড়ান্ত নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তির খসড়া অনুমোদন করা হয়। একইসঙ্গে কনসোর্টিয়াম কর্তৃক নির্বাচিত ঠিকাদারের সঙ্গে সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানি লিমিটেড নিজস্ব তহবিল থেকে ৩০০ কোটি ৮৩ লাখ টাকার জোগান দেবে। আর বাকি ৩৯২ কোটি ৩৩ লাখ টাকার জোগান দেবে সরকার। তাছাড়া বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের এ সভায় ‘কোম্পানি আইন, ১৯৯৪’-এর ধারা ১১ক-এর উপধারা (ক)-এর বিধান অনুসারে কোম্পানির নামের শেষে সম্প্রতি ‘পাবলিক সীমিত দায় কোম্পানি’ বা ‘পিএলসি’ লেখার বাধ্যবাধকতা আরোপিত হওয়ার বিষয়টি আমলে নিয়ে কোম্পানিটির বর্তমান নাম ‘বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানি লিমিটেড’-এর পরিবর্তে ‘বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্লস পলিসি’ নামকরণ করা হবে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনসাপেক্ষে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে কোম্পানিটি।

এদিকে সম্প্রতি ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে স্থায়ী সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন করেছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানি লিমিটেড। আর কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করেছে। তাদের স্থায়ী সম্পদের মূল্য ছিল ৬৪৮ কোটি ৪৪ লাখ সাত হাজার ৭৩৯ টাকা, পুনর্মূল্যায়নের পর যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২১ কোটি তিন লাখ ৫৪ হাজার ২৬১ টাকায়। সে হিসেবে তাদের সম্পদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ কোটি ৫৯ লাখ ৪৬ হাজার ৫২২ টাকায়।

২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে পাঁচ টাকা ৮০ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ৪০ টাকা ৯৩ পয়সা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..