মত-বিশ্লেষণ

দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে ভবিষ্যৎ করণীয়: বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট

মো. রফিকুল ইসলাম: বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে আমরা ‘ভালো-খারাপ’ এভাবে জ্ঞানের সামগ্রিক দিকটি ভাগ করে ফেলি। অভিভাবক, বন্ধুবান্ধব ও শিক্ষকরা পর্যন্ত এই বিভক্তিতে উৎসাহ দিয়ে থাকেন। আমার প্রশ্ন হলো কেন এই বিভক্তি? ছাত্রজীবনে এমন ছাত্র পাওয়া যায় না, যারা ডাক্তার আর ইঞ্জিনিয়ারের বাইরে আর অন্য কিছু হতে চান। যদি তা-ই হয়, তবে সেক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কেন আবার নতুন করে ‘পছন্দ-অপছন্দ’? এরও বোধহয় একটি কারণ আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো বিষয়ে পড়তে পারলে ভালো চাকরির জন্য আবেদন করা যাবে। কারণ বর্তমান যুগে প্রায় সব চাকরির প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে অল্প কয়েকটি বিষয়কে (অ্যাকাউন্টিং, ব্যবস্থাপনা, বিপণন বিদ্যা, ব্যাংকিং, অর্থনীতি, গণিত, পরিসংখ্যান ও ইংরেজি) প্রাধান্য দিয়ে সার্কুলার জারি করা হয়। ভালো চাকরি পাওয়া যাবে বলছি না এ কারণে যে, ভালো বিষয়ে পড়লেই যে ভালো চাকরি পাওয়া যায়, তা কিন্তু বাস্তবতা বলে না।
বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রী বিবিএ ও এমবিএ পড়তে চান শুধু চাকরির জন্য। যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ হলেই হলো। হালে কিছু ছাত্রছাত্রী আইটি নিয়ে উৎসাহ বোধ করলেও এর সংখ্যা খুবই কম। এই দুটি বিষয়ের বাইরে আর কোনো বিষয় স্বেচ্ছায় কোনো ছাত্রছাত্রী পড়তে চান কি না সন্দেহ আছে। যদি তাই হয়, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব বিষয় থাকার যৌক্তিকতা কতটুকু। এসব বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের চেয়ে স্নাতকোত্তর সনদ অর্জন করাই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে শুধু চাকরিদাতাদের চাহিদা মিটিয়ে কর্ম অর্জনের তাগিদে। বিজ্ঞান আর সাহিত্যচর্চা একদম নির্বাসিত। এ বিষয়ে পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষকতা ছাড়া আর খুব একটা গতি নেই। সামাজিক বিজ্ঞানচর্চা সময়ের নিরিখে প্রয়োজনীয়তা হারায়নি শুধু কিছু কারণে।
এ পরিস্থিতিতে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের জন্য সব জনগোষ্ঠীর জন্য সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা খুবই প্রয়োজন। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে কর্মের সঙ্গে সংযুক্ত রেখে একটা নির্দিষ্ট স্তর পর্যন্ত একই রকম শিক্ষাব্যবস্থা প্রয়োজন, যেখানে ব্যবসা, কলা, ভাষা, বিজ্ঞান ও গণিতের সমন্বিত আলোচনা হবে। আর পরবর্তী ধাপে থাকবে গবেষণাধর্মী শিক্ষাব্যবস্থা, যা বিশেষায়িত জ্ঞান সরবরাহ করবে কর্মবাজারের বিভিন্ন পর্যায়ে। চাকরির আবেদন সবার জন্য উম্মুক্ত থাকবে। কোনো বিষয়ভিত্তিক জনশক্তি নিয়োগ ভালো ফলাফল আনতে পারছে না। একটি বিষয় পড়লেই যে সামগ্রিক জ্ঞান অর্জিত হয়, তা একেবারেই ভুল, যার প্রমাণ আমরা প্রতিনিয়ত পাচ্ছি। প্রাত্যহিক জীবনে গণিতের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। সমস্যা সমাধানের কৌশল থেকে শুরু করে দৈনন্দিন দ্রুত গতির চিন্তা চালিয়ে নিতে গণিতের ভূমিকা অপরিসীম। কলা আর সফ্ট স্কিলের সঙ্গে আধুনিক মানবসম্পদ সৃষ্টির সম্পর্ক খুব নিবিড়। ইংরেজি ভাষা জ্ঞান বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় একটি ‘আনলকিং টুলস’ হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। একটি বিষয়ে নিজেকে তৈরি না করে সামগ্রিক জ্ঞান অর্জনের কাঠামো তৈরি করা আজকের দিনে খুব বেশি প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। বিসিএস পরীক্ষা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স রিক্রুটমেন্ট কমিটির তত্ত্বাবধানে ব্যাংকিং সেক্টরে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যাংকাররা কোনো বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা দিয়ে চাকরির বাজারে প্রবেশ করছেন না। কিন্তু
এসব পরীক্ষায় তারাই সফল হচ্ছেন যাদের সামগ্রিক বিষয়ে জ্ঞান আছে এবং কর্মক্ষেত্রেও তারা সফলতা দেখাতে সক্ষম হচ্ছেন।
সাহিত্যের ছাত্র বিজ্ঞান আর গণিত জানবে না, তা হয় না। আর বিজ্ঞানের ছাত্র ব্যবসা প্রশাসক না হওয়ার কোনো কারণ দেখি না। শুধু প্রয়োজন চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সমান সুযোগ এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। আইবিএতে ভর্তি পরীক্ষায় কি কোনো প্রার্থীর ব্যবসা অনুষদের কোনো বিষয়ের পারঙ্গমতা মাপা হয়? একেবারেই না। সেখানে বাছাই করা হয় আপনার গণিত, ইংরেজি ভাষা ও সাধারণ জ্ঞানের দক্ষতার ওপর। জীবনের সব সমস্যার সমাধান একটি বিষয়ের মধ্যে খোঁজা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এই জায়গায় আমরা ভুল করছি বলেই একটি জায়গা শক্ত করে বাঁধতে গিয়ে অন্য জায়গার বন্ধন হাল্কা করে তুলছি। বর্তমানে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ঊীবপঁঃরাব উবাবষড়ঢ়সবহঃ চৎড়মৎধস চালু করেছে পেশাগত চাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখে। এসব কোর্সের পড়াশোনার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও উদ্যোগটি যে খুবই ভালো তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ এসব কোর্সে যেসব পেশাজীবী পড়তে আসেন, তারা তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে অর্জিত শিক্ষার ব্যর্থতা বা অপ্রতুলতা এবং সময়ের দাবি মাথায় রেখেই আসেন। তাহলে বুঝতে অসুবিধা হয় না, বর্তমান ধারার আনুষ্ঠানিক
উচ্চ শিক্ষাব্যবস্থা ব্যর্থ বলেই পেশাগত জীবনে সময়ের দাবি মাথায় নিয়েই কার্যকর শিক্ষার অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে সব পেশায়।
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা যেভাবে এগিয়ে চলছে, তাতে করে দক্ষ জনশক্তির উৎপাদন সুদূরপরাহত। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় শুধু সার্টিফিকেটধারী জনশক্তি তৈরি হচ্ছে, যা দিয়ে দেশের উন্নয়ন ও বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। বরং বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে কারিগরি শিক্ষানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার আলোকে
ঢেলে সাজাতে হবে।
জার্মানির মতো উন্নত দেশ, যেখানে উচ্চশিক্ষার পরিসর খুবই কম, তারা কারিগরি শিক্ষানির্ভর দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে মনোনিবেশ করেছে এবং ভালো সুফল পাচ্ছে। সুদূর চীনদেশে একসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা বন্ধ করে রাখা হয়েছিল এবং কারিগরি শিক্ষানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘ সময় পরিচালিত হয়েছিল, যার ফলে আজকে সমগ্র চীনে ঘরে ঘরে শিল্পব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। আমাদের দেশেও এরকম কারিগরি শিক্ষানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা অতীব প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। এতে করে দুদিকেই দেশ উপকৃত হবে প্রথমত, দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে উঠলে যেসব বিদেশি শ্রমিক বাংলাদেশে কাজ করছেন এবং যারা প্রতিবছর প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলারের মতো বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যাচ্ছেন, সেসব বিদেশি শ্রমিকের স্থান দেশীয় দক্ষ শ্রমিক দ্বারা পূরণ হবে এবং দেশ প্রতিবছর ছয় বিলিয়ন বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যাওয়া থেকে রক্ষা পাবে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের যেসব বৈদেশিক শ্রমবাজার রয়েছে, সেখানেও বাংলাদেশি শ্রমিক যেতে পারত, সেখানে কাজ করতে পারত এবং আরও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারত। বর্তমানে যে বৈদেশিক মুদ্রা ওয়েজ আর্নার্স ফরেন রেমিট্যান্স থেকে আসে তার পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। যদি দক্ষ শ্রমবাজার সৃষ্টি করা যায় দক্ষ শ্রমিক দিয়ে, তাহলে এই মুদ্রা অর্জন তিন থেকে চার গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেসব সিলেবাস পড়ানো হয়, সেখানে বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় এবং বাজার অর্থনীতির চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কোনো কিছু পড়ানো হয় না। যেমন বর্তমানে বাংলাদেশের রফতানি আয়ের ৮৫ শতাংশ আসে পোশাকশিল্প থেকে। অথচ এই পোশাকশিল্প নিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় কোনো পর্যায়ে কোনো পড়ালেখা নেই। সংগত কারণে এই শিল্পটি পুরোপুরিভাবে অদক্ষ শ্রমিক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। শিক্ষিত ও দক্ষ শ্রমিক যদি থাকত, তাহলে এই শিক্ষিত দক্ষ শ্রমিক এই শিল্পের আরও অনেক বিকাশ ঘটাতে পারত এবং বর্তমান আরএমজি থেকে যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়, সেটি থেকেও আরও বেশি পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হতো। কিন্তু এ বিষয়ে বিগত কয়েক দশক থেকে কোনো সরকার চিন্তা করছে না, যদিও এ শিল্পের বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা বারবার কিন্তু বিষয়টি বলে আসছেন সরকারকে, কিন্তু কেউ এই বিষয়ে গা করছেন না।
এবার অন্য শিল্প প্রসঙ্গে আসা যাক। যেমন চামড়াশিল্প। বিশাল সম্ভাবনার এই শিল্পে দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থায় দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য উল্লেখযোগ্য কোনো শিক্ষাব্যবস্থা নেই বললেই চলে এবং সংগত কারণে এই শিল্প খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে দীর্ঘদিন থেকে। ওষুধশিল্প একটা সম্ভাবনাময় শিল্প। বাংলাদেশ বর্তমানে পৃথিবীর ১৫৭ দেশে ওষুধ রফতানি করে। যদিও ওষুধশিল্পের জন্য দক্ষ শ্রমিক এবং জনশক্তি তৈরির ব্যবস্থা বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় রয়েছে, কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক অপ্রতুল। সেজন্য শিক্ষাসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এবং পলিসি মেকারদের বিশ্ববাজার ব্যবস্থার চাহিদার দিকে লক্ষ রেখে বর্তমান জনশক্তি তৈরির বিষয়টি গুরুত্বসহ অনুধাবন করতে হবে। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সম্প্রতি এক সেমিনারে বলেন, এদেশে আয়হীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। বিষয়টি খুব গুরুত্বসহ ভাবার সময় এসেছে। আয়হীন কর্মসংস্থান বিষয়টি যদিও শুনতে অবাক শোনায়, কিন্তু বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বসহ অনুধাবন করার বিষয় রয়েছে।
বাংলাদেশে কর্মসংস্থান আসলে কত হয়েছে বা বেকারের সংখ্যা কত, এ বিষয়ে যথেষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। বিষয়টি নিয়ে পুরোপুরিভাবেই সরকারি পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওপরে নির্ভর করতে হয়, যাদের পরিসংখ্যানের সত্যাসত্য অনেক ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ। আর ব্যক্তি উদ্যোগে যেসব গবেষণা হয়েছে, সেসব গবেষণা থেকে দেখা যায়, প্রতিবছর ২৫ লাখ করে বেকার জনগোষ্ঠীর কাতারে প্রবেশ করছে। এই বিশাল শিক্ষিত বেকারের চাপ বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ কীভাবে সামাল দেবে, সেটা নিয়ে ভাবার মনে হয় এখনই মোক্ষম সময়। আমাদের জনশক্তি আরও বেশি করে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হতো, যদি দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে সার্বিক পলিসি বা নীতি তৈরি করার মতো মানসিকতা বাংলাদেশের সরকারি ও বিরোধী দলের থাকত।
দক্ষ মানবশক্তি উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই, এ বিষয়টি খুবই গুরুত্বসহ অনুধাবন করতে হবে। বাংলাদেশের ব্যাংক খাত একটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত। ব্যাংকগুলো আন্তর্জাতিক মানের ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণকে আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু অদক্ষ ও পরগাছা মানুষের কারণে আজকে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের দুরবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দক্ষ ব্যাংকিং পেশাজীবী গঠনের কোনো বিকল্প নেই। এখানেও শিক্ষাব্যবস্থায় যথেষ্ট গলদ খুঁজে পাওয়া যায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। ব্যাংকিং বিষয়ে যেসব বই পড়ানো হয়, সেগুলো অনেক পুরোনো এবং গৎবাঁধা কিছু কথাবার্তা, যা বর্তমান ব্যাংক ব্যবস্থার সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ব্যাংকের খেলাপি ঋণ আজকে বড় একটা ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই খেলাপি ঋণ কেন হয়, তা নির্ণয় করা এবং খেলাপি ঋণ থেকে উত্তরণের জন্য কোনোরকম প্রচেষ্টা নেই।
আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের হাতেই একশটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংগত কারণেই এখানে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক বিনিয়োগ আসবে। এই বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের ব্যাংকিং ও অর্থনৈতিক সেবা প্রদানের জন্য আমাদের কি সেইরকম দক্ষ মানবসম্পদ রয়েছে? এ বিষয়টি গুরুত্বসহ যদি না ভাবি, তাহলে একমাত্র দক্ষ মানবসম্পদের অভাবে এদেশ থেকে অনেক বৈদেশিক বিনিয়োগ চলে যাবে এবং যেসব বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে সেসব বিনিয়োগও হয়তো নাও আসতে পারে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মহলের ভাবার জন্য এখনই মোক্ষম সময়।

ব্যাংক কর্মকর্তা

সর্বশেষ..