কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

দরপতনের শীর্ষে জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আট দশমিক ৭৩ শতাংশ দর কমে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল বৃহস্পতিবার দর কমার শীর্ষে ছিল বিবিধ খাতের কোম্পানি জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর গতকাল ডিএসইতে জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর আট দশমিক ৭৪ শতাংশ বা ২১ টাকা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ২১৯ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২১৯ টাকা ৩০ পয়সা। দিনজুড়ে ২৩ হাজার ৩৬টি শেয়ার ৭৩ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৫০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২১৯ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২২০ টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৫২ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ২৫৩ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৭২ পয়সা (লোকসান) এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪৮ টাকা ২৩ পয়সা।

এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে পাঁচ টাকা ১২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৪৯ টাকা ৬১ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী লোকসান করেছে চার কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ ১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। কোম্পানির ৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন আট কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১১১ কোটি ৯ লাখ টাকা।

কোম্পানির মোট ৮৯ লাখ ২৮ হাজার ৯১ শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৪১ দশমিক ৮৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে এক দশমিক ৪৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শূন্য দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ এবং বাকি ৫৬ দশমিক ৬০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।

এদিকে তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২০) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮১ পয়সা (লোকসান), যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫৬ পয়সা (লোকসান)। এছাড়া ২০২০ সালের ৩১ মার্চ তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকা ৮৯ পয়সা, যা ২০১৯ সালের ৩১ মার্চে ছিল ১৪৮ টাকা ৯ পয়সা। প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই, ২০১৯-মার্চ, ২০২০) শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে দুই টাকা ১৬ পয়সা (লোকসান), আগের বছর একই সময়ে যা ছিল এক টাকা ৫৩ পয়সা (লোকসান)।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..