প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

দর কমার শীর্ষে মডার্ন ডায়িং অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিং

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: সমাপ্ত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দর কমার শীর্ষে ছিল বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি মডার্ন ডায়িং অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিং লিমিটেড। সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

ডিএসইর তথ্যমতে, গত সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে তিন লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ১৯৮৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আট শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৪৯ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল এক টাকা ১৬ পয়সা ও ১১ টাকা ৪৯ পয়সা।

ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য ২৬ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে (বাড়ি ১৯, সড়ক ৭, গুলশান ১) কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা ছিল ২২ নভেম্বর।

গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের দিনের চেয়ে তিন দশমিক ৫১ শতাংশ বা ছয় টাকা ১০ পয়সা  বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ১৮০ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১৭১ টাকা ৬০ পয়সা। দিনজুড়ে ৭৭৫টি শেয়ার ১৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর এক লাখ ৩৩ হাজার টাকা। শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১৭০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৮৩ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৭৩ টাকা থেকে ৩৪৪ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। তিন কোটি ৫০ টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন এক কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২০ লাখ টাকা। ২০১৫ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, যা আগের বছরের চেয়ে দুই শতাংশ বেশি। এ সময় কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে এক টাকা ১৬ পয়সা এবং এনএভি দাঁড়িয়েছিল ১১ টাকা ৪৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৫৬ পয়সা ও ১১ টাকা ১৩ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ৩৫ পয়সা ছিল। অর্থাৎ এক বছরের ইপিএস কমেছে তিন পয়সা। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভি) ১২ টাকা ৩১ পয়সা দাঁড়িয়েছে, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে ১১ টাকা ৯৮ পয়সা ছিল। তিন মাসে এনএভি ৩৩ পয়সা বেড়েছে। কোম্পানির ১৩ লাখ ৬৮ হাজার শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৬৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পাঁচ দশমিক ১৭ শতাংশ ও ২৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।