দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা

দর বৃদ্ধিতে এগিয়ে ছিল কম দামি শেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক: সন্তোষজনক লেনদেনে ফিরেছে পুঁজিবাজার। সম্প্রতি প্রতিদিনই বাড়তে দেখা যাচ্ছে লেনদেন। সেইসঙ্গে বাড়ছে ভালোমানের কোম্পানির শেয়ারদরও। কিন্তু গতকাল ভালো মানের কোম্পানির পাশাপাশি কিছু দুর্বল এবং কম দামি শেয়ারের দর বৃদ্ধির চমক দেখা গেছে, যা বাজারের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।

গতকালের বাজারচিত্র লক্ষ করলে দেখা যায়, যেসব কোম্পানির শেয়ারদর ১০ টাকার কম, এমন কিছু কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির দৌড়ে এগিয়ে ছিল। এই তালিকায় ছিল তাল্লু স্পিনিং, মিথুন নিটিং, অলটেক্স, ফুয়াং সিরামিকসহ আরও কিছু কোম্পানি। এসব কোম্পানির শেয়ারদর সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে দেখা গেছে, যা অনেক দিন ধরে দেখা যায় না।

মূলত কম দর দেখেই এই ধরনের শেয়ারে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা। কারণ এখান থেকে অল্প টাকার বেশি শেয়ার পাওয়া যাচ্ছে। তাদের ধারণা বাজার ভালো হলে এসব শেয়ারদর ঘুরে দাঁড়াবে, তখন এখান থেকে তারা ভালো মুনাফা করতে পারবেন। কিন্তু হঠাৎ করে যদি বাজারচিত্র পাল্টে যায়, তাহলে লাভের বদলে উল্টো চিত্রও দেখতে হতে পারে এমনটি ভাবছেন না তারা। দুর্বল কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ মানে লাভ এবং লোকসানের ঝুঁকি সমান সমান। ফলে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক হয়ে বিনিয়োগ করা জরুরি।

এদিকে গতকালের লেনদেন চিত্রে দেখা যায়, এদিন ডিএসইতে মোট ৮৩৬ কোটি টাকার শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের উইনিট কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে মধ্যে ব্লক মার্কেটের লেনদেন ছিল মাত্র ২৯ কোটি টাকা। লেনদেনের পাশাপাশি গতকাল ডিএসইর সূচকও সন্তোষজনক হারে বাড়ে। দিন শেষে প্রধান সূচক বাড়ে ৫৭ পয়েন্ট। লেনদেন শেষে সূচকের অবস্থান হয় চার হাজার ৩৬ পয়েন্টে।

অন্যদিকে গতকালের খাত ভিত্তিক লেনদেনে চোখ রাখলে দেখা যায়, এদিন  আগের দিনের মতো সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল বিমা খাত। দিন শেষে এই খাতের অবদান ছিল ৩২ শতাংশের বেশি। এর পরের অবস্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। এই খাতের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের সন্তোষজনক আগ্রহ ছিল। গতকাল মোট লেনদেনে এই খাতের কোম্পানির অবদান ছিল ২০ শতাংশ। পরের অবস্থানে ছিল বস্ত্র খাত। এই খাতের কোম্পানি লেনদেনে প্রায় ১০ শতাংশ অবদান রাখে। এছাড়া প্রকৌশল ও টেলিযোগায়োগ খাতেও বিনিয়োগকারীদের সন্তোষজনক আগ্রহ দেখা যায়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..