বিশ্ব বাণিজ্য

দাম কমেছে মালয়েশিয়ার পাম অয়েলের

শেয়ার বিজ ডেস্ক: মালয়েশিয়ার পাম অয়েলের দাম গত শুক্রবার কমে এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্নে পৌঁছেছে। পণ্যটির উৎপাদন বৃদ্ধির পূর্বাভাস এবং প্রধান ক্রেতা দেশগুলোতে রফতানি কমে যাওয়ার শঙ্কায় দাম কমেছে পাম অয়েলের। সমজাতীয় ভোজ্যতেল সয়াবিনের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পাম অয়েলের দাম কমেছে। খবর: বিজনেস রেকর্ডার।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে ফিউচার মার্কেটে শুক্রবার প্রতি টন পাম অয়েল বিক্রি হয়েছে দুই হাজার ২২০ রিঙ্গিতে। আগের দিনের তুলনায় এটি দশমিক পাঁচ শতাংশ কম। গত এক সপ্তাহের মধ্যে এটিই পণ্যটির সবচেয়ে কম দাম। ওইদিন সব মিলিয়ে ৩২ হাজার ৭০৬ লট (প্রতি লটে ২৫ টন) পাম অয়েল লেনদেন হয়।
কুয়ালালামপুরভিত্তিক ব্যবসায়ীরা বলছেন, উৎপাদন বৃদ্ধির পূর্বাভাস এবং রফতানি হ্রাসের শঙ্কায় ফের পাম অয়েলের দাম পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সাধারণত ডলারের বিপরীতে মালয়েশিয়ার রিঙ্গিতের দামের ওঠানামার ওপর বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পাম অয়েলের চাহিদা নির্ভর করে। আর এ কারণে পণ্যটির দামে প্রভাব পড়ে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের ভোজ্যতেলের দামে হ্রাস-বৃদ্ধির কারণেও পাম অয়েলের দামে পরিবর্তন আসে।
কিন্তু কুয়ালালামপুরের ব্যবসায়ীরা যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) ও চীনের ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে সয়াবিনের দামের কথা উল্লেখ করে জানান, বিশ্ববাজারে সমজাতীয় ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির পরও এবার পাম অয়েলের দাম কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে ডিসেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে গতকাল পাম অয়েলের সমজাতীয় তেল সয়াবিনের দাম দশমিক এক শতাংশ বেড়েছে। তবে আগের দিন পণ্যটির দাম কমেছিল এক দশমিক ছয় শতাংশ।
সাম্প্রতিক বছরগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সাধারণত তৃতীয় ও চতুর্থ প্রান্তিকে পাম অয়েলের উৎপাদন বাড়ে। এ প্রবণতাতেই এ বছর আগস্ট ও অক্টোবরের মধ্যে পণ্যটির উৎপাদন বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সর্বশেষ..