দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা

দারিদ্র্য নিয়ে সানেমের গবেষণা অযৌক্তিক: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ৪২ শতাংশ বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সানেমের এমন গবেষণাকে অযৌক্তিক ও আজব বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গতকাল অনলাইনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ৪২ শতাংশ, সানেমের গবেষণার বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমার যে মতামত সেটা হলো তিনি যদি মেহেরবানি করে বলতে পারেন যে, কয়টা গ্রামে ও কয়জন মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন, কীভাবে তিনি এ তথ্য সংগ্রহ করলেন। আমাদের দেশের জনমানুষের সংখ্যার মধ্যে ৫০০/৭০০/৩০০ মানুষ এগুলো কোথা থেকে নেবেন সেটা কথা নয়। সারা দেশ থেকে নিতে পারেন, কিন্তু দেখে দেখে… যাক এ বিষয়ে আমি কথা বলব না। আপনারা জানেন পুরোটাই অযৌক্তিক, পুরোটাই সর্বাঙ্গে বিচ্যুতি হয়েছে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারাও গ্রামে যাচ্ছেন, শহরে থাকছেন। আপনাদের ধারণা কী? আমাদের গরিবের হার বেড়ে গেছে! কী আজব কথাবার্তা বলে!’

করোনার কারণে দারিদ্র্য বেড়ে গেছে কিনাÑজানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার কারণে যদি কেউ না খেয়ে থাকে, যে কাজে ছিল সেটা যদি না করে, তাহলে সেটা বলতে পারেন। তবে যে যে কাজে ছিল, আমরা তাকে সে কাজ ফেরত দেয়ার চেষ্টা করেছি। আর না খেয়ে একজনও নেই। আপনি বললে বলতে পারেন না খেয়ে আছে। সেটা আপনারা বলতে পারেন। এ ধরনের কোনোকিছু নেই। এটা বলাটা সহজ, বাংলাদেশের সবাই গরিব, সবাই না খেয়ে আছে, এটা বলায় কী অসুবিধা?’

আপনাদের হিসাবে দারিদ্র্য বেড়েছে কিনাÑজানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অতি কাছাকাছি সময়ে আমাদের পরিসংখ্যান ব্যুরো এটার কাজ করেছে বলে আমার মনে হয় না। এটা কভিডের আগে যেসব ফিগার ছিল সেগুলো আমরা ব্যবহার করি। এখন পরবর্তী সময়ে তারা আবার জরিপ চালাবে, তখন আমরা আবার লেটেস্ট পজিশন জানতে পারব।’

মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আজ অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে দুটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে আমরা একটি প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছি, একটি প্রস্তাব ফেরত দিয়েছি। আর ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে ৮ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে ৭ প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে খরচ হবে এক হাজার ১৪২ কোটি ৬৯ লাখ ৯৮ টাকা। মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি খাত থেকে পাওয়া যাবে এক হাজার ১১০ কোটি ৭৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪০১ টাকা এবং বিশ্বব্যাংক ও জাইকা থেকে ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে ৩১ কোটি ৯২ লাখ ৮৪ হাজার ৬৯৭ টাকা।’

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..