সারা বাংলা

দিনাজপুর ও পাবনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত তিন

শেয়ার বিজ ডেস্ক:দিনাজপুর ও পাবনায় পুলিশের সঙ্গে ডাকাতের গোলাগুলিতে দুই ডাকাত ও এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদনে জানা য়ায়

দিনাজপুর: নবাবগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই ডাকাত সদস্য নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় থানার ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

নিহতরা গাইবান্দার সাদুল্যাপুর উপজেলার  মোহাম্মাদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (২৮), দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের আবদুল হামিদের ছেলে ওয়াজেদ আলী (৩০)।

নবাবগঞ্জ থানার ওসি অশোক কুমার জানান, নিহত ডাকতদলের ওই দুই সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তাদের নিয়ে গত বুধবার গভীর রাতে পুলিশ উপজেলার ছোট মাগুরা গ্রামে অস্ত্র উদ্ধার করতে গেলে সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যরা গুলি ছুড়তে থাকে। পুলিশ আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ সময় ডাকাত দলের ওই দুই সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য আহত হন। নিহতদের বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ থানাসহ কয়েকটি থানায় পাঁচ-ছয়টি ডাকাতি, ছিনতাইসহ মাদকের মামলা রয়েছে।

পাবনা: গতকাল রাতে পাবনা সদর থানাধীন হেমায়েতপুর ইউনিয়ন অন্তর্গত ৯নং ওয়ার্ড চর শিবরামপুর সুইচগেট-সংলগ্ন কাঁচা রাস্তার পাশে বাবুলের কলাবাগানের মধ্যে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসীর সঙ্গে পুলিশের গোলাগুলিতে সন্ত্রাসী হাব্বান (৫০) নিহত হয়েছে।

সে পাবনা সদর থানাধীন মণ্ডলপাড়ার মৃত হায়দার আলীর ছেলে বলে স্থানীয়রা শনাক্ত করেন।

ওই বাগানে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা বড় ধরনের কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিল। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে পাবনা সদর থানার এসআই মো. মোহায়মেনুল ইসলাম উল্লিখিত স্থানে পৌঁছামাত্র পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ফাকাগুলি ছোড়ে। উভয় পক্ষের গোলাগুলির ১৫-২০ মিনিট পর সদর থানার অফিসার ইনচাজ অন্যান্য টহলটিমসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ সদস্যরা কলাবাগান হতে তল্লাশি চালিয়ে গুলিবিদ্ধ হাব্বানকে উদ্ধান করে।

গোলাগুলির সময় চারজন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহত হাব্বানসহ আহত পুলিশ সদস্যদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাব্বানকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..