দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

দীর্ঘদিন পর স্বস্তির সপ্তাহ পার করলেন বিনিয়োগকারীরা

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘদিন পর একটি স্বস্তির সপ্তাহ পার  করতে পেরেছে। কারণ গত সপ্তাহজুড়ে বাজারে ইতিবাচক গতি ছিল।  চলতি মাসের প্রথমার্ধে টানা পতনের পর গত সাত কার্যদিবস ধরে বাজার ইতিবাচক অবস্থানে ছিল। মাঝে একদিন সংশোধন হয়েছে। গতকাল সপ্তাহের শেষদিনে লেনদেনও ৫০০ কোটি টাকার ঘর অতিক্রম করতে পেরেছে। এছাড়া ৭৮ দশমিক ছয় শতাংশ কোম্পানির দরবৃদ্ধিতে ডিএসইএক্স সূচক ৭৩ পয়েন্ট ঊর্ধ্বমুখী হয়। দর কমেছে মাত্র ১২ শতাংশ কোম্পানির। সব খাতেরই শেয়ারদর বেড়েছে। তথ্য ও প্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ,  চামড়াশিল্প, পাট, সেবা ও আবাসন,  কাগজ ও মুদ্রণ খাত শতভাগ ইতিবাচক ছিল। তুলনামূলক বেশি দর কমেছে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে।

১৬ শতাংশ বা ৮৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে প্রকৌশল খাত। এ খাতে তিনটি কোম্পানির দর কমেছে। এসএস স্টিলের সাড়ে ১২ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দর বেড়েছে ২০ পয়সা। ন্যাশনাল টিউবসের ১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১০ টাকা। বিবিএস  কেব্লসের আট কোটি ৩৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে চার টাকা ১০ পয়সা। এছাড়া প্রায় ১০ শতাংশ হারে বেড়ে রংপুর ফাউন্ড্রি ও বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস দরবৃদ্ধিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসে। ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ দরবৃদ্ধিতে পঞ্চম অবস্থানে উঠে আসে। ১৩ শতাংশ লেনদেন হয় বিমা খাতে। এ খাতেও তিন কোম্পানি দরপতনে ছিল। ১২ কোটি ৩১ লাখ টাকা লেনদেন হয় পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের। দর বেড়েছে এক টাকা ৯০ পয়সা। কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের আট কোটি ৭৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ১০ পয়সা। ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের দর ৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বেড়েছে। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে চার কোম্পানির দর কমেছে। একটি অপরিবর্তিত ছিল। ১৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়ে স্কয়ার ফার্মা দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও ১০ পয়সা দরপতন হয়। বীকন ফার্মার ১৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় দুই টাকা। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতে পাঁচ কোম্পানির দর কমেছে, ৯টির দর অপরিবর্তিত ছিল। সোয়া ৯ শতাংশ বেড়ে দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে অবস্থান করে এসক্যোয়ার নিট কম্পোজিট। ৩১ কোটি ২২ লাখ টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে অবস্থান করে লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ। দর বেড়েছে ৪০ পয়সা। ব্যাংক খাতে আট কোম্পানি এবং আর্থিক খাতে ছয় কোম্পানি দরপতনে ছিল। ৯ দশমিক ৪০ শতাংশ বেড়ে ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স দরবৃদ্ধিতে সপ্তম অবস্থানে উঠে আসে। জ্বালানি খাতে একমাত্র খুলনা পাওয়ারের দর কমেছে ৮০ পয়সা। তবে ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিল কোম্পানিটি। 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..