প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

দুঃস্বপ্ন পেছনে ফেলে নতুন শহরে মাশরাফির দল

ক্রীড়া প্রতিবেদক: দুঃস্বপ্নের প্রহর শেষ হচ্ছে না কিছুতেই! প্রথমে ক্রাইস্টচার্চ, নেলসন তারপর নেপিয়ার। সেই একই গল্প। ব্যর্থতার বৃত্তে বন্ধী মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। প্রথমে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ। তারপর নতুন বছরে টি-টুয়েন্টিতেও হোচট। তবে ২০ ওভারের ক্রিকেটে এখনও সিরিজ হাতছাড়া হয়ে যায়নি। ব্যর্থতা কাটিয়ে সে লড়াইটাই জমিয়ে তুলতে নতুন এক শহরে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নেপিয়ার ছেড়ে মাশরাফিরা বুধবার চলে গেছে তাওরাঙ্গায়। বিকেল ৫টার দিকে শহরে ঢুকে গোটা দল চলে গেছে টিম হোটেলে। উঠেছে ট্রিনিটি হোয়ার্ফ হোটেলে। এ শহরেই নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সিরিজের বাকি দুই টি-টুয়েন্টি লড়াই।

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের বে ওভালে আগামীকাল সিরিজের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টি। তার আগে ২৯০ কিলোমিটার ভ্রমণ ক্লান্তিকে গতকাল বিশ্রামে সময় কাটল মাশরাফি-সাকিব আর তামিম ইকবালদের। তবে টিম মিটিংয়ে পরের ম্যাচের পরিকল্পনাটাও সেরে নিয়েছেন তারা।

শহরে নেমেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের উঞ্চ অভ্যর্থনা পেলেন সবাই। সবারই একটাই প্রত্যাশা জয় চাই। দলের সিনিয়র ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নেপিয়ারের ম্যাকলিন পার্কের উইকেট ব্যাটিং সহায়ক ছিল। কিন্তু সে সুযোগটি আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। এবার ঘুরে দাঁড়াতে চাই।’

আগের ম্যাচের হাফসেঞ্চুরিয়ান জানালেন, নিউজিল্যান্ডে সাফল্য পাওয়া বেশ কঠিন। বলেন, দেখুন এখানকার কন্ডিশন আমাদের জন্য বেশ কঠিন। কিন্তু তারপরও প্রতিটি ম্যাচে আমরা এক পর্যায়ে কিউইদের খুব কাছাকাছি চলে যাচ্ছি। এরপরও সুযোগকে কাজে লাগাতে পারছি না। এ পরিস্থিতি কাটিয়ে জিততেই হবে।

মাহমুদুল্লাহ মনে করেন, পরিকল্পনা মতো খেলতে পারলে সফরে সাফল্য পাওয়া অসম্ভব কিছু নয়। এ অলরাউন্ডার বলছিলেন, সবচেয়ে বড় কথা আমাদের নির্ভার হয়ে খেলতে হবে। গোটা দলকেই একসঙ্গে সেরাটা দিতে হবে। আমি মনে করি ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেললে অচেনা মাঠে কোনো সমস্যাই হবে না। আমরা আগের ম্যাচগুলোতে যে ছোট ছোট ভুল করেছি তা কাটিয়ে উঠতে পারলে জয় ধরা দেবেই।

তাওরাঙ্গা নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের শহর। এখানে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টুয়েন্টি ম্যাচটি হবে ৮ জানুয়ারি। তারপর স্বাগতিকদের সঙ্গে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ।