কোম্পানি সংবাদ

দুই কোম্পানির ঋণমান নির্ণয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড ও নিটল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে যথাক্রমে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল) ও ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (ক্রিসেল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড: কোম্পানিটি দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এএএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে পেয়েছে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ৩০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ৯৬ পয়সা এবং এনএভি দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ১৩ পয়সা। কোম্পানিটি ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে ১০০ শতাংশ নগদ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ৭৯ পয়সা ও এনএভি দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ১৭ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭৫ কোটি আট লাখ ৩০ হাজার টাকা। ‘এ’ ক্যাটেগরির এ কোম্পানিটি ১৯৮৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর এক দশমিক ৯১ শতাংশ বা তিন টাকা ৯০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ২০৮ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২০৮ টাকা ২০ পয়সা। দিনজুড়ে এক লাখ ২৭ হাজার ৩৬৮টি শেয়ার মোট ৩১৩ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর দুই কোটি ৬৩ লাখ ২১ হাজার টাকা। এক বছরে শেয়ারদর সর্বনিম্ন ১৬৫ টাকা ১০ পয়সা থেকে ২৭৯ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়।

১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৯৯ কোটি ৭০ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১৩১ কোটি ৫৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

কোম্পানিটির মোট ৯ কোটি ৯৭ লাখ দুই হাজার ৮৩৮টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫৭ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ১৭ দশমিক ৩২ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারী পাঁচ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

নিটল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড: কোম্পানিটি দাবি পরিশোধের সক্ষমতা (সিপিএ) অনুযায়ী রেটিং পেয়েছে ‘এএ’। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ জুন ২০১৯ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং দিয়েছে ক্রিসেল।

৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় হয় দুই টাকা ৯৬ পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ২৪ টাকা ১৭ পয়সায়। এর আগে কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১৪ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় হয় দুই টাকা ৭৮ পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ২৪ টাকা ১৮ পয়সায়, যা আগের বছর একই সময়ে হয়েছিল দুই টাকা ৭৬ পয়সা ও ২৪ টাকা ১৮ পয়সা। কোম্পানিটি ২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে।

সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর দুই দশমিক ৮৫ শতাংশ বা ৮০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ২৮ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ২৮ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে দুই লাখ ৮৪ হাজার ১০০টি শেয়ার মোট ২২০ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৮০ লাখ ৯২ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২৭ টাকা ৮০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৮ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে। গত এক বছরে শেয়ারদর ২১ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৩৮ টাকা ১০ পয়সায় ওঠানামা করে।

সর্বশেষ..