পর্ষদ সভা

দুই কোম্পানির পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানি ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড এবং প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড পরিচালনা পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড: আগামী ৩১ আগস্ট বিকাল ৪টায় পরিচালনা পর্ষদ সভায় কোম্পানিটির ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত আর্থিক বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।
এদিকে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ বা ২০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৮২ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৮২ টাকা ৭০ পয়সা। ওইদিন কোম্পানিটির ছয় লাখ ১২ হাজার ৬৯৫টি শেয়ার মোট ৫৯৬ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর পাঁচ কোটি পাঁচ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। ওইদিন শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৮১ টাকা ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৮৪ টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ৬৭ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১১০ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে।
জ্বালানি খাতের ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৮ সালের সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময় আগের বছরের তুলনায় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২৮ পয়সা বেড়েছে। ওই সময় ইপিএস করে সাত টাকা ৮৫ পয়সা, যা তার আগের বছর একই সময় ছিল সাত টাকা ৫৭ পয়সা।
২০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১১ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৬৬ দশমিক ৬১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ২০ দশমিক ৬২ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শূন্য দশমিক সাত শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ শেয়ার।
ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড: আগামী ২৯ আগস্ট বেলা সাড়ে ৩টায় পরিচালনা পর্ষদ সভায় কোম্পানিটির ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।
এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ছয় দশমিক ৮০ শতাংশ বা আট টাকা ২০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ১২৮ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১২৮ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে পাঁচ লাখ সাত হাজার ৩২২টি শেয়ার এক হাজার ২৮৭ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ছয় কোটি ৪২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১২১ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১২৯ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৬৭ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ১৩১ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ২২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে তিন টাকা ২৪ পয়সা এবং এনএভি দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৩২ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে সাত কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ২৯ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৬২ কোটি ৮৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট দুই কোটি ৯৯ লাখ ১১ হাজার ৩৪০টি শেয়ার রয়েছে।

সর্বশেষ..