কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

দুই কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছে দুই কোম্পানি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড: ৩০ জুন ২০২০ সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও দুই দশমিক পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেবে কোম্পানিটি। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮৬ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ছয় পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৫২ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ২৯ ডিসেম্বর বেলা ২টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর।

এর আগে ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। ওই সময় ইপিএস হয়েছে দুই টাকা ৭৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য হয়েছে ৩০ টাকা ২৬ পয়সা। ওই সময় মুনাফা হয়েছে ৫৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর অপরিবর্তিত থেকে প্রতিটি সর্বশেষ ১১ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ১১ টাকা ৫০ পয়সা। দিনজুড়ে ৮৭ হাজার ৫৪৪টি শেয়ার ৪১ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ১০ লাখ ১০ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর ১১ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৯ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ১৬ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। কোম্পানির ৬০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ২২৯ কোটি ৪৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২৮৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট ২২ কোটি ৯৪ লাখ ৬৭ হাজার ৯৪ শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩০ দশমিক শূন্য এক শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১৭ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং বাকি ৫২ দশমিক ৬৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।

অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড: ৩০ জুন ২০২০ সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ না দেওয়ার ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে পাঁচ টাকা ৪৭ পয়সা (লোকসান) এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৭৮ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৪০ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ৩১ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর দুই দশমিক ৫৩ শতাংশ বা ২০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ সাত টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল সাত টাকা ৬০ পয়সা। দিনজুড়ে এক লাখ ২৭ হাজার ৭০০টি শেয়ার ৬০ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সাত টাকা ৫০ পয়সা থেকে আট টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর পাঁচ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১০ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

কোম্পানিটি ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘জেড’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। কোম্পানির ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৫৫ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট পাঁচ কোটি ৫৯ লাখ ৬৮ হাজার শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৪০ দশমিক ৭৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ছয় দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং বাকি ৫২ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..