প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

দুদকের মামলা: রাজউকের চার কর্মকর্তা কারাগারে

????????????????????????????????????

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি গাছ ব্যক্তিমালিকানায় দেখিয়ে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সহকারী পরিচালকসহ চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকার আদালত। গতকাল সোমবার ঢাকা জেলার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) এসএম কুদ্দুস জামান তাদের জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত ২৯ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় ওই চার সরকারি কর্মকর্তাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মো. আবদুস সালাম আলী মামলা করেন। মামলায় ‘১৯৯৭ সালের ৪ নভেম্বর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশ করে রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে কামতা মৌজায় আরএস ১৫৬৪ নম্বর দাগে বাস্তবের চেয়ে বেশি গাছপালা দেখিয়ে ও সরকারি গাছের মালিকানা বিভিন্ন ব্যক্তির নামে দিয়ে সেই গাছের মূল্য বেশি দেখিয়ে সরকারের তিন কোটি ৪৬ লাখ ৫১ হাজার ৮৯৭ টাকা আত্মসাৎ করেন’ বলে অভিযোগ আনা হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি মো. মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ সময় একই বিচারক একই মামলায় কারাগারে থাকা অপর এক আসামির জামিন আবেদনও নাকচ করেন। আদালতে আত্মসমর্পণকারীরা হলেন রাজউকের সহকারী পরিচালক (সাবেক কানুনগো) মো. মিজানুর রহমান, রাজউকের এস্টেট পরিদর্শক (সাবেক সার্ভেয়ার) মো. জাকির হোসেন, শেরপুরের উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো (সাবেক সার্ভেয়ার) মো. আবু তাহের ও কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তা (সাবেক কানুনগো) মো. মাইনুল হক। অপরাধ সংঘটনকালে তারা সবাই নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।’

আসামিপক্ষে ব্যারিস্টার মইনুল হক আদালতে জামিনের আবেদন করেন। আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক তা নাকচ করে ওই চার কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে একই মামলায় অপর অভিযুক্ত কানুনগো হালিম বিশ্বাস গত বছরে ১২ ডিসেম্বর গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আছেন। তার পক্ষে গতকাল আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হীরু জামিন চাইলে সেটিও নাকচ করেন বিচারক।