প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

দুবাইয়ের পর্যটন খাতে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি

শেয়ার বিজ ডেস্ক: সদ্য শেষ হওয়া বছরে দুবাইয়ের পর্যটন খাতে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০১৬-র ডিসেম্বর শেষে দুবাইয়ে ১৫-১৬ মিলিয়ন পর্যটক ভ্রমণ করেছেন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা। ২০১৫ সালে এটি ছিল ১৪ দশমিক দুই মিলিয়ন। ২০২০ সালের মধ্যে ২০ মিলিয়ন পর্যটক আকর্ষণের লক্ষ্য নিয়েছে দুবাইয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ট্যুরিজম অ্যান্ড কমার্স মার্কেটিং (ডিটিসিএম)। এ লক্ষ্য অর্জন করতে হলে আগামী চার বছর ৭ থেকে ৯ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি দরকার হবে। খবর খালিজ টাইমস।

এদিকে গত বছর পর্যটন খাতের উন্নয়নের অংশ হিসেবে দুবাইতে হোটেল রুম ও অ্যাপার্টমেন্ট সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে শহরটিতে হোটেলের রুমসংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে। ২০১৮ সালের মধ্যে এটি এক লাখ ৩৪ হাজারে পৌঁছানোর এবং ২০১৭-২০ সালের মধ্যে আরও ৫৯ নতুন হোটেল প্রতিষ্ঠার আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

গত তিন দশক ধরে দুবাই বিশ্বের অন্যতম পর্যটন নগরী হতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়েছে দেশটি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে যাওয়ায় এবং মুদ্রার অবমূল্যায়নে দেশটির উদীয়মান এ খাতটি চাপে রয়েছে। তবে সম্প্রতি জ্বালানি তেল রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক ও ওপেকবহির্ভূত দেশগুলো জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে পণ্যটির উত্তোলন কমাতে রাজি হয়েছে। যেটাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৭ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের পর দীর্ঘ মেয়াদে মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে দুবাইয়ে এ খাত পুরোপুরি নিরাপদ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পর্যটক, ব্যবসায়ীক বিনিয়োগ ও বাণিজ্য দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ফলে দেশটির এ খাতগুলোর সম্ভাবনা রয়েছে অনেক বেশি। দুবাইর পর্যটন শিল্প ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যটক ভ্রমণের সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ মিলিয়ন ছাড়াবে বলে প্রত্যাশা করছে।

এক্সপো-২০২০ কে সামনে রেখে দুবাইয়ে অবকাঠামোগত খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ হচ্ছে, যা পর্যটন শিল্পের প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। বিশেষ করে দুবাই ওপেরা, নতুন থিম পার্ক ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল এয়ারপোর্টের কাজ শেষ হলে পর্যটক সংখ্যা আরও বাড়বে। সব মিলিয়ে ভবিষ্যতে দুবাইয়ের পর্যটন শিল্প দেশটির অর্থনীতিতে শক্ত ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।