দিনের খবর প্রচ্ছদ শেষ পাতা

দেশের মান অনেক উঁচুতে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: ড. মোমেন

নিজস্ব প্রতিবেদক :‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ জীবিত আছেন বলেই দুর্দিনেও জনগণ সহযোগিতা পাচ্ছেন। করোনাভাইরাসের সময় আমরা যখন পিপিই, ভেন্টিলেটর নিয়ে ভাবছিলাম, শেখ হাসিনা তখন জনগণের কথা ভাবছিলেন। শহর থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বাড়িতে বাড়িতে খাবারসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি বিশ্বের কাছে দেশের মানইজ্জত অনেক উঁচুতে নিয়েছেন।’

গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জš§দিন এবং বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এক সময় দেশ দুর্নীতিতে বারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, এর হাত থেকে দেশকে বাঁচিয়ে একটা উন্নয়নের পথে এনেছেন আজকের প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যার প্রতিটি সিদ্ধান্ত, চিন্তা একই ছিল। তাদের উভয়েরই লক্ষ্য জনগণের উন্নয়ন। করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে আমরা সবাই যখন পিপিই, ভেন্টিলেটর নিয়ে ভাবছিলাম; কীভাবে তা সংগ্রহ করব। শেখ হাসিনা তখন জনগণের কথা ভাবছিলেন। তারা করোনাকালে কীভাবে চলবেন, খাবার কোথায় পাবেন। তার সিদ্ধান্ত মতে শহর থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বাড়িতে বাড়িতে খাবারসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি।’

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমরা খুবই সৌভাগ্যবান যে শেখ হাসিনার মতো একজন রাষ্ট্রনায়ক পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে নিরলসভাবে কাজ করছেন তিনি। শেখ হাসিনা জীবিত আছেন বলেই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে, ব্যবসায়ীরা ভালোভাবে ব্যবসা করতে পারছেন। পরীক্ষায় আর সেশনজট হয় না, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এসেছে, গণমাধ্যমের প্রসার ঘটেছে।’

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু বলেন, ‘জাতির পিতার খুনের সময় অনেকেই উল্লাস করেছেন, তারা এখন আমাদের শরিক দল। জাতির জনকের কন্যাকে ১৯ বার হত্যা করার চক্রান্ত করা হয়েছে। শেখ হাসিনাকে আল্লাহ বাঁচিয়ে রেখেছেন বলেই আজ দেশের সব সেক্টরের উন্নতি হয়েছে। তার বেঁচে থাকা খুবই জরুরি, তিনি না থাকলে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।’

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ফালগুনী হামিদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, আওয়ামী লীগ নেতা শাহে আলম মুরাদসহ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা।

অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..