প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

দেশে এলো জনসনের কভিড টিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জনসন অ্যান্ড জনসনের তিন লাখ ৩৬ হাজার ডোজ কভিড-১৯ টিকা এসেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির প্রধান অধ্যাপক ডা. শামসুল হক গতকাল জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা হিসেবে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে এ টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, জনসনের টিকা এই প্রথম বাংলাদেশে এসেছে। এই টিকা অন্যান্য টিকার মতোই সংরক্ষণ করা যাবে।

এ নিয়ে বাংলাদেশ করোনাভাইরাসের ছয় ধরনের টিকা পেল। এর আগে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার-বায়োএনটেক, মডার্না, সিনোফার্ম ও সিনোভ্যাকের টিকা এসেছে বাংলাদেশে। এসব টিকা দিয়ে সরকার সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি চালাচ্ছে। তবে অন্য কোম্পানির টিকা যেখানে অন্তত দুই ডোজ দিতে হয়, জনসনের তৈরি এই করোনাভাইরাসের টিকা এক ডোজের। অবশ্য পরে বুস্টার ডোজ দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

গত বছর জুনে জনসনের কভিড টিকা বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জেনসেন ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি এই টিকার ৬৬ শতাংশ কার্যকারিতা পাওয়া গিয়েছিল বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে। আর যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে কভিড-১৯ প্রতিরোধে কার্যকারিতার হার ছিল ৭২ শতাংশ। অবশ্য করোনাভাইরাসের নতুন ধরনগুলোর বিরুদ্ধে এ টিকার কার্যকারিতা পরে ততটা পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত বুধবার পর্যন্ত সারাদেশে ৯ কোটি ১৩ লাখ ২২ হাজার ৫৩৮ জনকে করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেয়া হয়েছে সিনোফার্মের টিকা, পাঁচ কোটি পাঁচ লাখ ডোজ। এছাড়া অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক কোটি ৭৮ লাখ ডোজ, ফাইজারের এক কোটি ৫৫ লাখ ডোজ, সিনোভ্যাকের ৪৪ লাখ ডোজ ও মডার্নার ২৮ লাখ ডোজের বেশি টিকা দেয়া হয়েছে প্রথম ডোজ হিসেবে।

বুধবার পর্যন্ত পাঁচ কোটি ৭৬ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ পূর্ণ ডোজ পেয়েছেন। তৃতীয় ডোজ নিয়েছেন আট লাখ ৭৩ হাজারের বেশি মানুষ।

বুধবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, সরকারের হাতে এখন ৯ কোটি ডোজ টিকা রয়েছে।