প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে সাড়া মেলেনি দাতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এরই পদক্ষেপ হিসেবে প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প ছক বা পিডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। এ সেতু নির্মাণে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর কাছে অর্থ চাওয়া হয়েছে। তবে এখনও কোনো সাড়া মেলেনি।

গতকাল সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে টেবিলে উত্থাপিত জাসদ সংসদ সদস্য শিরীন আখতারের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মাওয়া-জাজিরা পয়েন্টে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি ৫১ শতাংশ। এরই মধ্যে বসানো হয়েছে দুটি স্প্যান। মার্চে আরও একটি বসানো হবে। অবশিষ্ট স্প্যানগুলো পর্যায়ক্রমে বসানোর মাধ্যমে যথাসময়ে এ সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে। তবে মাওয়া-জাজিরা অবস্থানে প্রথম পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

এদিকে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম টানেলের বোরিং কাজ শুরু হবে সেপ্টেম্বরে। ইতোমধ্যে তৈরি হওয়া বোরিং মেশিনটি আগামী মে মাসে চীন থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হবে বলে জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

বোরিং মেশিনটি স্থাপনে কমপক্ষে তিন মাস লাগবে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকায় ঠিকাদারের ক্যাম্প, আবাসন, ব্যাচিং প্লান্ট ও গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে ২০১৪ সালের জুনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফরকালে এই টানেল নির্মাণে সে দেশের সরকারের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি হয়। পরবর্তী বছরের জুনে চীন সরকার মনোনীত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি করে বাংলাদেশ। একই বছরের ২৪ নভেম্বর প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে (একনেক) অনুমোদিত হয়।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও জানান, ঋণচুক্তিতে চীন সরকারের কাছ থেকে পাওয়া প্রথম কিস্তির ১৪১ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ডলার গত ডিসেম্বরে ঠিকাদারকে দেওয়া হয়েছে।

মনিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের জানান, চলতি অর্থবছরে সারা দেশে সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের (সওজ) ১২৫টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। এর মধ্যে তৃতীয় কর্ণফুলী সেতু নির্মাণ প্রকল্পও রয়েছে।