প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনিয়োগকারীদের জন্য নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। একইসঙ্গে চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২১ সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ টাকা সাত পয়সা। ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৫৯ টাকা ৯০ পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১১৪ টাকা ৬৫ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ৫ মার্চ বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ জানুয়ারি।

চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২১) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ছয় টাকা তিন পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ছয় টাকা ৫৪ পয়সা। ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬৫ টাকা ৯৩ পয়সা। আর প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৩৭ টাকা ৩১ পয়সা।

এর আগে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫০ শতাংশ অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি ১৫ টাকা নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৩০৭ কোটি ৯১ লাখ ৭৯ হাজার ৭৪১ টাকা, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৭০ কোটি টাকা কম। এর আগের বছর হয়েছিল ৩৭৯ কোটি ৯১ লাখ ৩৭ হাজার ১৩৪ টাকা।

কোম্পানিটি ২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৪০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০৮ কোটি ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ৪৯০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১০ কোটি ৮২ লাখ ১৬ হাজার ১০৮টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্য মতে মোট শেয়ারের মধ্যে সরকারি ৫৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ৩২ দশমিক ১৬ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে শূন্য দশমিক ১৯ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে আট দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে শেয়ারদর শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ বা ১০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ১৯৬ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিলও ১৯৬ টাকা ৮০ পয়সা। দিনজুড়ে এক লাখ ৩৬ হাজার ৪৭১টি শেয়ার মোট ৫৮৭ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর দুই কোটি ৬৯ লাখ টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১৯৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২০১ টাকায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর ১৬০ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ২১৮ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে।