প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে রেনউইক যজ্ঞেশ্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক হিসাবে নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে রেনউইক যজ্ঞেশ্বর কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার নেটওয়ার্কের (বিইএফটিআই) মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে লভ্যাংশ পাঠিয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রকৌশল খাতের ‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটি ১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকরীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে তিন টাকা ৯ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্যে দায় হয়েছে ৩৫ টাকা ৮১ পয়সা। ওই বছর কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ৬১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
২০১৫ সালের সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে ১০ শতাংশ কম। ২০১৪ সালের সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটি ইপিএস হয়েছিল তিন টাকা আট পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্যে দায় দাঁড়িয়েছিল ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল যথাক্রমে পাঁচ টাকা ৫৮ পয়সা ও ৩১ টাকা ৫১ পয়সা। ওই বছর কোম্পানিটি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ৬১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের বছরে ছিল এক কোটি ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ২১২ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ৫১২ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
২০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন দুই কোটি টাকা। রিজার্ভে ঘাটতির পরিমাণ ৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা। কোম্পানিটির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৪১ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস কমেছে ৯ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্যে দায় দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৪৯ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩৫ টাকা ৬৮ পয়সা। কর পরবর্তী আয় ছিল ছয় লাখ ৪০ হাজার টাকা।