দিনের খবর প্রথম পাতা

নতুন আক্রান্ত ২৫৩৭, মৃত্যু ৩৬

দেড় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক: কভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউয়ের পালে নতুন করে লেগেছে হাওয়া। ঈদের পর সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কমে এলেও এখন আবার নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধির ধারায় মহামারি কভিড-১৯। এ মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে গত এক দিনে দেশে আরও দুই হাজার ৫৩৭ জনের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে, যা দেড় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এর আগে গত ২৮ এপ্রিল এর চেয়ে বেশি দুই হাজার ৯৫৫ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ার কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

গতকাল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তদের নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে আট লাখ ১৭ হাজার ৮১৯ জন হয়েছে।

কভিড আক্রান্তদের মধ্যে গত এক দিনে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩৬ জনের। তাতে মৃতের মোট সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ৯৪৯ জন।

সরকারি হিসাবে, আক্রান্তদের মধ্যে এক দিনে আরও দুই হাজার ২৬৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন সাত লাখ ৫৭ হাজার ৫৬৯ জন।

বাংলাদেশে কভিডের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ, তা আট লাখ পেরিয়ে যায় এ বছর ৩১ মে। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে গত ৭ এপ্রিল রেকর্ড সাত হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১১ মে তা ১২ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিশ্বে শনাক্ত কভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৭ কোটি ৪০ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৩৭ লাখ ৪৮ হাজারের বেশি মানুষের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৫১০টি ল্যাবে ২০ হাজার ৬০৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬১ লাখ শূন্য ছয় হাজার ৭৯১টি নমুনা।

নমুনা পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৬৩ শতাংশ, মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫৮ শতাংশ।

গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের ১৭ জন পুরুষ আর নারী ১৯ জন। তাদের ৩৩ জন সরকারি হাসপাতালে, তিনজন বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান।

তাদের মধ্যে ২১ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, আটজনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, চারজনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছর, দুজনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর ও একজনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল।

মৃতদের মধ্যে ছয় জন ঢাকা বিভাগের, ছয়জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৯ জন রাজশাহী বিভাগের, ১০ জন খুলনা বিভাগের, একজন সিলেট বিভাগের ও চারজন রংপুর বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

এ পর্যন্ত মৃত ১২ হাজার ৯১৩ জনের মধ্যে ৯ হাজার ৩১৯ জন পুরুষ। তিন হাজার ৬৩০ জন নারী।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..