বিশ্ব সংবাদ

নাইজেরিয়ায় বিক্ষোভে গুলি, নিহত ২০ জন

Demonstrators barricade the road to protest against abuses by the Special Anti-Robbery Squad (SARS) at the Lekki toll Plaza in Lagos, on October 12, 2020. - Nigerians protested to pressure the government to follow through on disbanding a feared police unit after authorities made the rare concession in the face of widespread anger over abuses. Around 2,000 people blocked one of the main highways in the country's biggest city Lagos, demanding officials make good on an announcement on October 11, 2020, that the federal Special Anti-Robbery Squad (SARS) was being scrapped. (Photo by PIUS UTOMI EKPEI / AFP) (Photo by PIUS UTOMI EKPEI/AFP via Getty Images)

শেয়ার বিজ ডেস্ক: পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় পুলিশি বর্বরতার বিরুদ্ধে দেশটির বৃহত্তম শহর লাগোসে বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়েছে সেনাবাহিনী। এতে ২০ জন নিহত হয়েছেন। লাগোস এবং অন্যান্য শহরে ২৪ ঘণ্টার কারফিউ জারি করা হয়েছে। খবর: বিবিসি।

মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, বিক্ষোভে মৃত্যুর বিশ্বাসযোগ্য রিপোর্ট পেয়েছে তারা। এদিকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছে যে, তারা এ গোলাগুলির ঘটনার তদন্ত করবে। দু’সপ্তাহ ধরে দেশটির বড় শহরগুলোয় পুলিশের বিতর্কিত বিশেষ বাহিনী স্পেশাল অ্যান্টি-রবারি স্কোয়াডের (সার্স) বর্বরতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে। হতাহত ছাড়াও অনেক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। লাগোসে ওই গোলাগুলির ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। তিনি নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারি এবং দেশটির সেনাবাহিনীকে বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিজের দেশের জনগণকে হত্যায় নাইজেরিয়া সরকারকে দায়ী করেছেন দেশটির ফুটবলার ওডিয়ন জুড ইগহালো। টুইটারে এক ভিডিও বার্তা পোস্ট করে তিনি বলেন, ‘আমি এ সরকারকে নিয়ে খুবই লজ্জিত।’ প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লাগোসের লেকিতে সামরিক পোশাকে থাকা লোকজন এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়েছে। বিক্ষোভকারীদের প্রতিহত করতে বিভিন্ন স্থানে বেরিকেড দিতে দেখা গেছে সেনা সদস্যদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ঠিক ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের দিকে সরাসরি গুলি ছুড়তে শুরু করে। সে সময় বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। তিনি জানান, তার পাশে থাকা একজনের গায়ে গুলি লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।

ওই প্রত্যক্ষদর্শী আরও বলেন, ‘তারা গুলি চালিয়েই যাচ্ছিল। এটা প্রায় এক বা দেড় ঘণ্টা চলেছে। সেনাবাহিনীর ব্যারিকেডের কারণে অ্যাম্বুলেন্স বিক্ষোভকারীদের কাছে পৌঁছাতে পারেনি।’ প্রসঙ্গত, সার্স হলো নাইজেরিয়া পুলিশের একটি বিতর্কিত শাখা। এ শাখার বর্বরতার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরুর পর এ শাখাটি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..