নাসিক নির্বাচন: দায়িত্বে থাকবে ৫ হাজারের বেশি পুলিশ-বিজিবি

প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ: আগামীকাল রোববার (১৬ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর এই নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিন্তে আইনশৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৫ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইরে অবস্থিত জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম বলেন, ‘কাউকে কেন্দ্র দখল ও প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না। ভোটকেন্দ্রে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে। নির্বাচনে পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবিসহ পাঁচ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন থাকবেন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে নিরাপত্তায় কঠোর অবস্থানে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।’

পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘নির্বাচন উপলক্ষে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের এই পরিবেশ কেউ ভঙ্গ করার চেষ্টা করবেন না। কেউ যদি বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করেন, তাহলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। ভোটাররা নিশ্চিন্তে ভোট দিতে আসবেন, কোনও বাধা সৃষ্টি হবে না। সারা বিশ্ববাসী দেখবে, ঐতিহ্যবাহী এই নারায়ণগঞ্জের ভোট কতটা সুষ্ঠু হয়। এটা একটি মডেল নির্বাচন হবে। নির্বাচনে কোনও ধরনের ছাড় এবং অরাজকতা সৃষ্টি করার সুযোগ দেবো না। বহিরাগত কাউকে আমরা নারায়ণগঞ্জে প্রবেশ করতে দেবো না। প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটরা ও র‌্যাব সদস্যরা থাকবেন। ভোটের দিন জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে আপনাকে ভোট কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হবে। ভোটের দিন অবশ্যই জাতীয় পরিচয় পত্র সঙ্গে নিয়ে বের হবেন।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের দিন বহিরাগত কাউকে সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। ১৮ বছরের ওপরে যারা নারায়ণগঞ্জ থেকে বের হবেন- তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে।’

মেয়র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকারের অভিযোগের বিষয়ে এসপি বলেন, ‘পুলিশ কোনও ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর হয়ে কাজ করছে না। কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না। যে সন্ত্রাসী বা মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মতিয়ুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন   ❑ পড়েছেন  ৯৭৬  জন  

সর্বশেষ..