বিশ্ব সংবাদ

নিরক্ষীয় গিনিতে বিস্ফোরণে নিহত ২০

শেয়ার বিজ ডেস্ক: মধ্য আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলীয় দেশ নিরক্ষীয় গিনির সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে  পর পর কয়েকটি বিস্ফোরণে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানানো হয়েছে, এসব বিস্ফোরণে আরও প্রায় ৫০০ জন আহত হয়েছেন। রোববার দেশটির বৃহত্তম শহর বাটায় একটি সামরিক ব্যারাকের কাছে এসব বিস্ফোরণ ঘটে। খবর: বিবিসি।

প্রসঙ্গত, গিনির সবচেয়ে বড় শহর বাটা। দেশটির প্রায় ১৪ লাখ জনসংখ্যার আট লাখই এ শহরে বসবাস করে। পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলীয় শহর মালাবো দেশটির রাজধানী।

নিরক্ষীয় গিনির প্রেসিডেন্ট তেওদোরো ওবিয়াং এঙ্গেমা জানিয়েছেন, দিনের বেলা ‘অবহেলাজনিত’ কারণে ব্যারাকের গুদামে এসব বিস্ফোরণ ঘটেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা ছবিতে বিস্ফোরণ স্থল থেকে ওঠা বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে।

দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের প্রতিবেদনে লোকজনকে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে জীবিতদের খোঁজ করতে এবং ধসে পড়া ভবন থেকে ধ্বংসাবশেষ সরাতে দেখা গেছে।

এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট এঙ্গেমা বলেছেন, বিস্ফোরণের ধাক্কায় বাটার প্রায় সব বাড়ি ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ত্রাণসহ আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। কৃষকরা ব্যারাকের আশপাশের ক্ষেতে আগুন দেওয়ার কারণেও এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। 

কয়েকটি টুইটে নিরক্ষীয় গিনির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্বেচ্ছাসেবী স্বাস্থ্যকর্মীদের বাটার আঞ্চলিক হাসপাতালে যেতে বলেছে। বহু লোক আহত হওয়ায় রক্তদানেরও আহ্বান জানিয়েছে তারা। গুরুতর আহত ও সংকটজনক অবস্থায় থাকা আহতদের তিনটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৮ সালে স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত নিরক্ষীয় গিনি স্পেনের একটি উপনিবেশ ছিল।

৭৮ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট তেওদোরো ওবিয়াং এঙ্গেমা মোবাসোগো প্রায় ৪২ বছর ধরে গিনি শাসন করছেন। বিরোধী দলগুলো এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো প্রায়ই তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে থাকে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..