নিষেধাজ্ঞা নয়, টিকায় গুরুত্ব ডব্লিউএইচওর

ওমিক্রন ছড়িয়েছে ৩০ দেশে

শেয়ার বিজ ডেস্ক: কভিডের নতুন ধরন ওমিক্রন এরই মধ্যে ৩০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। গবেষণা বলছে, পুনঃসংক্রমণের আশঙ্কা ডেল্টা বা বিটা ধরনের তুলনায় ওমিক্রনে তিনগুণ বেশি। এ অবস্থায় ওমিক্রন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশ ভ্রমণে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তবে ওমিক্রনের বিরুদ্ধে লড়তে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা ও টিকাদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ওমিক্রন ঢেউ ঠেকাতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা একক কোনো সমাধান নয় বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। খবর: বিবিসি, রয়টার্স।

গতকাল শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েস্টার্ন প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক তাকেশি কাসাই ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শুধু সীমান্ত বন্ধের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। এ ধরনের সম্ভাব্য উচ্চ সংক্রমণযোগ্যতা রয়েছে। তাই প্রস্তুত থাকতে হবে।

অপেক্ষাকৃত কম সুরক্ষিত গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণভাবে টিকার আওতায় নিয়ে আসতে এবং মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব মানার মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তাকেশি কাসাই বলেন, ওমিক্রন সংক্রমণ প্রতিরোধে বিশ্বের সব দেশেরই প্রস্তুত থাকতে হবে। বিশেষত এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোর বেশি প্রস্তুতি থাকতে হবে।

ওমিক্রনের পুনঃসংক্রমণের হার ডেল্টার চেয়ে তিনগুণ বেশি: এদিকে কভিডে দ্বিতীয়বার বা পুনঃসংক্রমণের সম্ভাবনা ডেল্টা বা বিটা ধরনের তুলনায় ওমিক্রন ধরনে তিনগুণ বেশি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীদের

করা সর্বশেষ একটি প্রাথমিক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। অর্থাৎ কভিডের ডেল্টা বা বিটা ধরনের তুলনায় ওমিক্রন সংক্রমণ ক্ষমতা তিনগুণ বেশি।

গবেষণায় বলা হয়, প্রথমবার করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর দ্বিতীয়বার বা তৃতীয়বার আক্রমণ করার ক্ষেত্রে ডেল্টা বা বিটা ধরনের যে শক্তি ছিল, তার থেকে তিনগুণ শক্তি নিয়ে মানুষকে আক্রমণ করছে ওমিক্রন। এছাড়া আগের সংক্রমণ থেকে তৈরি হওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেদ করে এ ধরন শরীরে প্রবেশ করছে বলেও ওই গবেষণায় জানানো হয়েছে।

গত ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবার ওমিক্রন শনাক্ত হয়। কভিডের ‘বি.১.১.৫২৯’ নামক এ ধরনকে ওমিক্রন বলা হয়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন   ❑ পড়েছেন  ৯৯২  জন  

সর্বশেষ..