আজকের পত্রিকা সর্বশেষ সংবাদ সারা বাংলা

নীলফামারীতে পাড়া-মহল্লায় স্বেচ্ছায় ‘লকডাউন’

প্রতিনিধি, নীলফামারী: নীলফামারী জেলা শহরে করোনাভাইরাস এড়াতে একাধিক পাড়া-মহল্লা স্বেচ্ছায় লকডাউন করেছে এলাকাবাসী। সোমবার (৬ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে জুম্মাপাড়া, শাহিপাড়া, বাবুপাড়া আলমগীরের মোড়সহ স্বেচ্ছায় চলাচলের প্রধান সড়ক বন্ধ করে লকডাউনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা জানায়, শহরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ প্রধান সড়কে পথচারী ও যানবাহন চলাচল সীমিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বাধা অতিক্রম করে পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহন পাড়া-মহল্লার সড়ক ব্যবহার করে যত্রতত্র চলাচল করছে। এতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ছে পাড়া-মহল্লার বসবাসকারীরা। আজ পাড়ার যুবকেরা একত্রিত হয়ে স্বেচ্ছায় লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং চলাচলের প্রধান সড়কগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পাশাপাশি প্রবেশ পথে জীবানুনাশক রাখা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে কেউ প্রবেশ করতে চাইলে জীবানুমুক্ত হয়ে প্রবেশ করতে হবে। একইভাবে পাড়ার কেউ বাইরে গেলেও ফিরে আসার সময় জীবানুমুক্ত হয়ে পাড়ায় প্রবেশ করতে হবে। এ বিষয়ে জুম্মাপাড়ার বাসিন্দা নাঈম শাহরিয়ার পিউ (৩৮) বলেন, “শহরের প্রধান প্রধান সড়কে লোকজনের যাতায়ত সীমিত হওয়ার পর লোকজন ও বিভিন্ন যানবাহনের চলাচল বেড়েছে পাড়ার বিভিন্ন ছোট বড় সড়কে। এতে জীবানু ছড়ানোর ঝুঁকি রেড়ে যাচ্ছে। পাড়ার ছেলে মেয়েসহ বয়স্কদের করোনার ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে আমরা ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ সড়ক লকডাউনে প্রশাসনের সঙ্গে একাত্বতা ঘোষণা করে ঝুঁকি মুক্ত থাকতে চাই।”

অপরদিকে, আলমগীরের মোড়ের বাসিন্দা মো. সেলিম মিয়া (৩২) বলেন, “আমরা মহল্লাবাসী পাড়ার ৫০০ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সড়ক লকডাউন করে মরণব্যাধি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এছাড়াও এতে পাড়ায় বহিরাগত মানুষের আনাগোনা বন্ধ হবে”। সরকারের পাশাপাশি এ উদ্যোগ নেওয়া প্রত্যেকের উচিত।

এ ব্যাপারে নীলফামারী সদর থানার ওসি মমিনুল ইসলাম জানান,“জেলা শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার সচেতন মানুষ ও বাসিন্দারা নিজস্ব উদ্যোগে এ কাজটি করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত সরকারের এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকার যেহেতু চাচ্ছে ঘর থেকে লোকজন বের না হোক। সে জন্য পুলিশ ও সেনাবাহনী গ্রামে-গঞ্জে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। সে উদ্দেশ্যে এটি করে থাকলে ভালোই হয়েছে”

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..