স্পোর্টস

নেইমারেও রক্ষা হয়নি ব্রাজিলের

ক্রীড়া ডেস্ক: পেরুর থেকে শক্তিতে অনেক এগিয়ে ব্রাজিল। হয়তো তাই গতকাল প্রীতি ম্যাচে প্রথমার্ধে সেটা কমই দেখাতে চেয়েছিলেন সেলেসাওদের কোচ তিতে। যে কারণে ম্যাচের মূল একাদশে নেইমারকে রাখেননি। সে সময় আক্রমণভাগের দায়িত্ব ছিল ডেভিড নেরেস, রিচার্লিসন, রবার্তো ফিরমিনো ও ফিলিপে কৌতিনহোদের। কিন্তু তারা হলুদ জার্সিধারী সমর্থকদের হতাশ করেন। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য নেইমার মাঠে নামেন। কিন্তু তিনিও নিরাশ করেন। সুযোগ পেয়েও পারেননি প্রতিপক্ষের জালমুখ খুলতে। উল্টো ম্যাচের একবারে শেষ মুহূর্তে গোল হজম করতে হয় তাদের। যে কারণে ০-১ ব্যবধানে হার মানতে হয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
গতকাল পেরুর বিপক্ষে ব্রাজিলের দাপুটে ফুটবল দেখা যায়নি। তারপরও বিচ্ছিন্নভাবে দুই একটা সুযোগ সৃষ্টি করেছিল দলটি। কিন্তু গোল করতে পারেননি সেলেসাওদের ফরোয়ার্ডরা।
প্রীতি ম্যাচ বলেই আর্থার মেলোকে একাদশে রাখেননি তিতে। তার অভাবটা তাই মাঝমাঠে বেশ টের পেয়েছে ব্রাজিল। তবে আক্রমণভাগে নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে চেষ্টা করেন রিচার্লিসন আর ফিরমিনো।
প্রথমার্ধে নেরেস গোল করার একটা সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। দ্বিতীয়ার্ধে অ্যালানও গোল করার আরেকটি সুযোগ নষ্ট করেন। দলের খেলার এ অবস্থা দেখে দ্বিতীয়ার্ধে গোটা আক্রমণভাগটাই বদলে দেন তিতে। ফিরমিনো, নেরেস, রিচার্লিসন, কৌতিনহোরদের বদলে মাঠে নামানো হয় যথাক্রমে নেইমার, ভিনিসিয়ুস, লুকাস পাকেতা ও ব্রুনো হেনরিকে কে। তাতে ব্রাজিলের খেলা গতি বাড়ে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উল্টো ৮৪ মিনিটে ম্যানচেস্টার সিটির ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক এডারসনের একটা শিশুতোষ ভুলে পেরুর ডিফেন্ডার লুই আবরাম গোল করে বসেন। শত চেষ্টা করেও সে গোলটা আর শোধ করতে পারেননি নেইমাররা।
টানা ১৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর গতকালই হারের মুখ দেখেছে ব্রাজিল। এ জন্য অবশ্য পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরাই দায়ী। কেননা ম্যাচের আগেই সেলেসাওরা পেরুকে একটুও গুরুত্ব দেয়নি। তিতের অধীনে এ নিয়ে তিনবার হারল তারা।

সর্বশেষ..