সুশিক্ষা

নৈতিক শিক্ষাই হয়রানি প্রতিরোধের হাতিয়ার

আচরণ ও কর্মে ইতিবাচক পরিবর্তন ও উন্নয়নসাধন শিক্ষার উদ্দেশ্য। তবে সে শিক্ষা অপূর্ণ থেকে যায় যদি তার সঙ্গে নৈতিকতা যুক্ত না হয়। ব্যক্তিচরিত্রে সুশাসন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, দুর্নীতি দমন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার মতো বিষয়গুলো নিশ্চিত করে নৈতিক শিক্ষা। এ কারণে আমাদের প্রচলিত শিক্ষার সঙ্গে নৈতিক শিক্ষার সংযোগ স্থাপন করা গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষাঙ্গনে নৈতিক শিক্ষাবিষয়ক এক কর্মশালায় উঠে আসে এমন মন্তব্য। সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালার আয়োজন করে অ্যালায়েন্স ফর সাসটেইনেবল গ্রোথ অ্যান্ড পলিসি (এএসজিপি)।

‘নৈতিক শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হয়রানি প্রতিকার’ শীর্ষক কর্মশালায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এতে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক আহমেদ সজল ও এএসজিপির পরিচালক অদ্রিকা এষণা পূর্বাশা প্রশিক্ষণ দেন। সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হবিবুর রহমান। এর আগে রাজশাহী কলেজ ও শাহ মখদুম নার্সিং কলেজেও একই ধরনের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন এ দুই প্রতিষ্ঠানের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী। প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীদের সনদ দেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন কর্মশালা আয়োজনে এএসজিপিকে সহযোগিতা করছে কাজুকো ভুইয়া ট্রাস্ট।

আয়োজকরা বলেন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কর্মশালার আয়োজন করা হবে। এর লক্ষ্য হচ্ছে, বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটিয়ে সব ধরনের হয়রানির প্রতিকার করা। কারণ অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের অসচেতনতা কিংবা ইচ্ছায় ইভটিজিং ও র‌্যাগিংয়ের মতো ঘটনা ঘটে, যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে। এ সংকট মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের সচেতন করে তোলার জন্য এ ধরনের কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..