সারা বাংলা

নোয়াখালীতে চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

প্রতিনিধি, নোয়াখালী: সাত কোটি ৭০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের নাজির, তার স্ত্রী, বোন ও এক বন্ধুর বিরুদ্ধে জেলা দায়রা ও বিশেষ জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নোয়াখালী উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।

দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, জেলা জজ আদালতের নাজির আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের নোয়াখালী কার্যালয় অনুসন্ধান শুরু করে। দীর্ঘ অনুসন্ধানে অনেক দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসে। তারপর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে নোয়াখালী দুদকের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ বাদী হয়ে নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের নাজির আলমগীর হোসেন এবং তাকে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করায় তার স্ত্রী নোয়াখালীর জুডিশিয়াল পেশকার নাজমুন নাহার, তার বোন আফরোজা আক্তার ও তার এক বন্ধু বিজন ভৌমিককে আসামি করে মামলা করেন।

কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তদন্তের পর গত বৃহস্পতিবার তিনি জেলা দায়রা জজ ও বিশেষ জজ আদালতে মামলার চার আসামি প্রত্যকের বিরুদ্ধে ৪২০, ৪৬৮, ৪৬৭, ৪৭১, ১০৯ ধারা ও তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা তৎসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ধারা মোতাবেক চার্জশিট দখিল করেছেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা চার্জশিটে উল্লেখ করেন, নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের নাজির (সাময়িক বরখাস্ত) আলমগীর হোসেন ১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি নোয়াখালী জেলা জজ আদালতে স্টোনোগ্রাফার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। পদোন্নতি পেয়ে রেকর্ড কিপার ও পরবর্তীতে নাজির হন তিনি। ২০০৬ সালে বিয়ে করে তার স্ত্রীকে ২০০৮ সালে জুডিশিয়াল পেশকারের চাকরি দেন।

দীর্ঘ তদন্তে বেরিয়ে আসে তারা স্বামী-স্ত্রী চাকরি জীবনে যা আয় করেন তার চেয়ে শতগুণ বেশি অর্থ সম্পদের মালিক হয়ে যান। তদন্তে জানা যায়, নাজির আলমগীর, তার স্ত্রী নাজমুন নাহার, বোন আফরোজা আক্তার ও বন্ধু বিজন ভৌমিকের সহযোগিতায় সাত কোটি ১৭ লাখ ৩৫ হাজার ৬২৫ টাকার অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও ভোগ দখলে রাখেন। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই নাজির আলমগীর ঐশি ট্রেডার্স নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলেন। তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে ও হুন্ডি করে ৩৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা মানি লন্ডারিং করেন।

তদন্তের পর দুনীতি দমন কমিশনের অনুমতিক্রমে জেলা নাজির আলমগীর হোসেন, জুডিশিয়াল পেশকার নাজমুন নাহার, আলমগীরের বোন আফরোজা আক্তার, তার বন্ধু বিজন ভোমিকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

আদালত চার্জশিটটি গ্রহণ করেছেন বলে দুদকের অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম জানান। তিনি জানান, সব আসামি উচ্চ আদালতের নির্দেশে তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করা পর্যন্ত জামিনে রয়েছেন। ইতোমধ্যে  দুদক  আদালতের মাধ্যমে নাজির আলমগীরের বাড়ি ক্রোক করে বাড়িতে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছে এবং আসামিদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে।

নোয়াখালীতে চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

প্রতিনিধি, নোয়াখালী: সাত কোটি ৭০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের নাজির, তার স্ত্রী, বোন ও এক বন্ধুর বিরুদ্ধে জেলা দায়রা ও বিশেষ জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নোয়াখালী উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।

দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, জেলা জজ আদালতের নাজির আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের নোয়াখালী কার্যালয় অনুসন্ধান শুরু করে। দীর্ঘ অনুসন্ধানে অনেক দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসে। তারপর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে নোয়াখালী দুদকের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ বাদী হয়ে নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের নাজির আলমগীর হোসেন এবং তাকে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করায় তার স্ত্রী নোয়াখালীর জুডিশিয়াল পেশকার নাজমুন নাহার, তার বোন আফরোজা আক্তার ও তার এক বন্ধু বিজন ভৌমিককে আসামি করে মামলা করেন।

কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তদন্তের পর গত বৃহস্পতিবার তিনি জেলা দায়রা জজ ও বিশেষ জজ আদালতে মামলার চার আসামি প্রত্যকের বিরুদ্ধে ৪২০, ৪৬৮, ৪৬৭, ৪৭১, ১০৯ ধারা ও তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা তৎসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ধারা মোতাবেক চার্জশিট দখিল করেছেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা চার্জশিটে উল্লেখ করেন, নোয়াখালী জেলা জজ আদালতের নাজির (সাময়িক বরখাস্ত) আলমগীর হোসেন ১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি নোয়াখালী জেলা জজ আদালতে স্টোনোগ্রাফার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। পদোন্নতি পেয়ে রেকর্ড কিপার ও পরবর্তীতে নাজির হন তিনি। ২০০৬ সালে বিয়ে করে তার স্ত্রীকে ২০০৮ সালে জুডিশিয়াল পেশকারের চাকরি দেন।

দীর্ঘ তদন্তে বেরিয়ে আসে তারা স্বামী-স্ত্রী চাকরি জীবনে যা আয় করেন তার চেয়ে শতগুণ বেশি অর্থ সম্পদের মালিক হয়ে যান। তদন্তে জানা যায়, নাজির আলমগীর, তার স্ত্রী নাজমুন নাহার, বোন আফরোজা আক্তার ও বন্ধু বিজন ভৌমিকের সহযোগিতায় সাত কোটি ১৭ লাখ ৩৫ হাজার ৬২৫ টাকার অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও ভোগ দখলে রাখেন। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই নাজির আলমগীর ঐশি ট্রেডার্স নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলেন। তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে ও হুন্ডি করে ৩৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা মানি লন্ডারিং করেন।

তদন্তের পর দুনীতি দমন কমিশনের অনুমতিক্রমে জেলা নাজির আলমগীর হোসেন, জুডিশিয়াল পেশকার নাজমুন নাহার, আলমগীরের বোন আফরোজা আক্তার, তার বন্ধু বিজন ভোমিকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

আদালত চার্জশিটটি গ্রহণ করেছেন বলে দুদকের অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম জানান। তিনি জানান, সব আসামি উচ্চ আদালতের নির্দেশে তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করা পর্যন্ত জামিনে রয়েছেন। ইতোমধ্যে  দুদক  আদালতের মাধ্যমে নাজির আলমগীরের বাড়ি ক্রোক করে বাড়িতে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছে এবং আসামিদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..