সারা বাংলা

নোয়াখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে কোমলমতি শিশুরা

প্রতিনিধি, নোয়াখালী:নোয়াখালীতে কোমলমতি অনেক শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা বিভিন্ন যানবাহনে চালকের সহকারী, ঝালাই কারখানা কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঝুঁকি নিয়ে ও নামমাত্র মজুরিতে কাজ করছে। এতে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে রেহাই পেতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলে মনে করছে সচেতন মহল।

নোয়াখালীর বিভিন্ন ওয়েল্ডিং কারখানায় ঝুঁকিতে কাজ করছে শিশুরা। কলকারখানা অধিদফতরের নিয়ম-নীতি ও শ্রম আইনের তোয়াক্কা না করে কারখানা মালিকরা স্বল্প মজুরিতে শিশুদের দিয়ে কারখানায় কাজ করাচ্ছেন। এসব কারখানা মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় দিন দিন শিশুশ্রম বাড়ছে। ছোট ছোট শিশুরা লেখাপড়া বাদ দিয়ে বেকারি কারখানা, আইসক্রিম, চা দোকান ও খাবাবের হোটেলসহ বিভিন্ন কারখানায় কাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, হোটেল, কারখানা কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মালিক অল্প মজুরিতে শিশুদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করাচ্ছেন। এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মহল জেনেও না জানার ভান করছে।

একটি রেস্টুরেন্টের কর্মকর্তা জানান, তাদের  রেস্টুরেন্টে কয়েকজন কর্মরত আছে, তবে ওরা একেবারে শিশু নয়। এলাকার লোকজন অভাবের তাড়নায় কারখানার সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকে। কাজ না দিয়েও পারা যায় না।

শিশুদের গাড়ি চালনায় নিযুক্তির বিষয়ে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন জানান, তারা তালিকা করছেন। যাদের লাইসেন্স নেই, তারা গাড়ি চালাতে পারবেন না। তখন এমনিতেই শিশুরা বাদ পড়ে যাবে। অদক্ষ শিশুরা সড়কে গাড়ি চালালে দুর্ঘটনার প্রকোপ বাড়বে।

এ ব্যাপারে নোয়াখালীর ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) তš§য় দাস জানান, ১২ বছরের নিচে শিশুরা কাজ করতে পারবে না। যাদের বয়স ১২’র বেশি, তারা কারখানায় কাজ করতে পারবে। তবে তাদের ক্ষেত্রে ওয়ার্কিং আওয়ার কম হবে। এ নিয়ম না মানলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..