সারা বাংলা

পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি চায় তিন উপজেলাবাসী

প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও: অন্যান্য আন্তঃনগর ট্রেনের মতো ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ স্টেশনেও পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি চায় এলাকাবাসী। তাদের দাবি, পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলার লোকালসহ ঢাকাগামী অন্যান্য আন্তঃনগর ট্রেনে উঠা-নামা করার সুযোগ পেলেও পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি না থাকায় তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাদের এ দুর্ভোগ লাঘবে এ স্টেশনে ঢাকাগামী পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি চান তারা।
রেল কর্তৃপক্ষ ও পীরগঞ্জ রেলস্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানী জানান, পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ-দিনাজপুর হয়ে ঢাকা রেলরুটে তিনটি আন্তঃনগর, একটি মেইল, একটি লোকাল, একটি ডেমু ট্রেন চালু রয়েছে। এর মধ্যে সবগুলো ট্রেনেই পীরগঞ্জ স্টেশনে থামে। শুধু পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি নেই। অথচ পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলার শত শত মানুষ ঢাকাগামী অন্যান্য ট্রেনের যাত্রী উঠা-নামা করে। শুধু পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেন ধরতে এখানকার যাত্রীদের ঠাকুরগাঁও বা দিনাজপুর যেতে হয়। এবং ঢাকা থেকে আশার পথে ওইসব স্টেশনে নামতে হয়। এতে তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। এ স্টেশন থেকে বেশি মানুষ উঠা-নামা করে। টিকিট নিয়ে এখানে প্রতিদিনই মারামারি-হুড়োহুড়ি হয়।
পীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আখতারুল ইসলাম জানান, এখানে ট্রেন থামানোর কথা রেলমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে। আশা করি, তিনি এখানকার জনগণের যৌক্তিক দাবি তিনি পূরণ করবেন। হরিপুরের যাত্রী মনির ও শামিম জানান, কয়েক দিন আগে অন্য ট্রেনের টিকিট না পেয়ে পঞ্চগড় এক্সপ্রেসে ঢাকা থেকে আসেন কিন্তু পীরগঞ্জে না থামায় দিনাজপুরে নামেন। এতে তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। শত শত যাত্রী এখানে পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি চায়।
পীরগঞ্জ রেলস্টেশন মাস্টার গোলাম রব্বানী জানান, এখানে ট্রেন দাঁড়ানোর সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুধু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষায়।

সর্বশেষ..