দিনের খবর প্রথম পাতা

পতনের দিনে লেনদেনে তিন খাতের অবদান ৪৬%

মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ: এক দিন বড় উত্থানের পর আবারও পতনে ফিরে গেছে পুঁজিবাজার। গতকাল দিন শেষে ডিএসইতে অধিকাংশ মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারের দর হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি কমেছে সূচকও। লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ২০ পয়েন্ট হ্রাসের পাশাপাশি পাঁচ হাজার ৪৮৮ পয়েন্টে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, দিনের প্রথম থেকেই বেশিরভাগ মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারদর কমতে থাকে। সেই তুলনায় দর বৃদ্ধির দৌড়ে এগিয়ে ছিল দুর্বল কোম্পানির শেয়ার। এসব শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও ছিল সন্তোষজনক। অন্যদিকে গতকাল মোট লেনদেনে এগিয়ে থাকতে দেখা যায় বিবিধ খাতকে। দিন শেষে মোট লেনদেনে এ খাতের অবদান দেখা যায় প্রায় ২২ শতাংশ। পরের অবস্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। দিন শেষে মোট লেনদেনে এ খাতের অবাদন ছিল ১৩ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে থাকা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অবদান দেখা যায় ১১ শতাংশ।

এদিকে সূচকের পাশাপাশি গতকাল সূচকের পাশাপাশি কমে গেছে লেনদেনও। দিন শেষে ডিএসইতে মোট ৭৭৫ কোটি টাকার শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে ১৭টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মোট পৌনে ২০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। কোম্পানিগুলোর ২৫ লাখ ৭৫ হাজার ৬০১টি শেয়ার ৩৬ বার হাত বদল হতে দেখা যায়।

এছাড়া জেএমআই সিরিঞ্জের ৯৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকার, জিবিবি পাওয়ারের ৭৬ লাখ তিন হাজার টাকার, ন্যাশনাল পলিমারের ২৮ লাখ ২৫ হাজার টাকার, লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের ১৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার, জিপিএইচ ইস্পাতের ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকার, বিবিএস কেব্লসের ১১ লাখ ৮৯ হাজার টাকার, খুলনা প্রিন্টিংয়ের আট লাখ ৫০ হাজার টাকার, আমান কটনের ছয় লাখ টাকার, ইনটেকের পাঁচ লাখ ১১ হাজার টাকার, মালেক স্পিনিংয়ের পাঁচ লাখ ৫৯ হাজার টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ছয় কোটি ৬৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে স্কয়ার ফার্মার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছয় কোটি ৬৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকার আইডিএলসির এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ এক কোটি ৭০ লাখ ৮১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..