প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

পতনের বাজারে সামান্য ইতিবাচক মিউচুয়াল ফান্ড

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে আগের দিনের পতনের ধারাবাহিকতা গতকালও অব্যাহত ছিল। বরং পতনের গতি আরও বেড়েছে। আগের দিন ৬০ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে থাকলেও গতকাল তা ছিল ৭০ শতাংশে। দর বেড়েছ মাত্র ২০ শতাংশ কোম্পানির। প্রায় সব খাতেই ছিল দরপতনের আধিক্য। তবে ব্যাংক খাতে দর না বাড়লেও লেনদেন বেড়েছে সামান্য। অন্যদিকে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে দর ও লেনদেন দুটোই আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। ব্যাংক খাতে দর না বাড়ায় সূচক দ্রুত নেমে গেছে। শেষ পর্যন্ত ডিএসইএক্স সূচকের ২২ পয়েন্ট পতন হয়েছে। ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ক্ষমতা বাড়ছে। গত কয়েক দিন আগে এ খবরে বাজার কিছুটা ইতিবাচক হলেও এর কোনো ধারাবাহিকতা দেখা যাচ্ছে না বাজারে। বরং লেনদেন কমতে কমতে মাত্র ৩০০ কোটিতে নেমেছে। তাই পুঁজিবাজার কবে স্বাভাবিক হবে এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের অনিশ্চয়তা কিছুতেই কাটছে না।
গতকাল মোট লেনদেনের ২২ শতাংশ বা ৬৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে প্রকৌশল খাত শীর্ষে উঠে আসে। এ খাতে ৭৪ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। প্রায় ২১ কোটি টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে থাকা ন্যাশনাল টিউবসের চার টাকা ৭০ পয়সা দরপতন হয়। মুন্নু জুট স্টাফলার্সের প্রায় ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৭০ টাকা ৩০ পয়সা। ইস্টার্ন কেব্লসের সোয়া আট কোটি টাকা লেনদেন হয়; দর বেড়েছে ১৭ টাকা ৩০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে ষষ্ঠ অবস্থানে ছিল। এটলাস বাংলাদেশের ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৯ টাকা ৪০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে পঞ্চম অবস্থানে উঠে আসে। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে ৬২ শতাংশ কোম্পানির দর কমেছে। সাড়ে ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয় ওয়াটা কেমিক্যালের। দর বেড়েছে প্রায় ২৭ টাকা। এক শতাংশ বেড়ে গতকাল মিউচুয়াল ফান্ড খাতে লেনদেন হয় এক শতাংশ। এ খাতে ৫৭ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় ৭০ শতাংশ ছিল মিউচুয়াল ফান্ড খাতের দখলে। এছাড়া সিএপিএম আইবিবিএল মিউচুয়াল ফান্ডের সাড়ে ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা। ব্যাংক খাতে লেনদেন দুই শতাংশ বাড়লেও বেশিরভাগ ব্যাংকের দর কমেছে। জ্বালানি খাতে ৭৩ শতাংশ কোম্পানি দরপতনে ছিল। ইউনাইটেড পাওয়ারের সাড়ে আট কোটি টাকা লেনদেন হলেও তিন টাকা ৯০ পয়সা দরপতন হয়। সিরামিক খাতে ৬০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। প্রায় ৯ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের দর ৩২ টাকা ১০ পয়সা বেড়েছে। এছাড়া মুন্নু সিরামিকের প্রায় ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়; দর বেড়েছে তিন টাকা ৮০ পয়সা। শতভাগ নেতিবাচক ছিল তথ্য ও প্রযুক্তি, কাগজ ও মুদ্রণ, সেবা ও আবাসন খাত।

ট্যাগ »

সর্বশেষ..