প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

পদত্যাগ করেছেন কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার বিজ ডেস্ক: জ্বালানি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের তীব্র বিক্ষোভের পর পদত্যাগ করেছেন কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী আসকার মামিন। পুরো সরকার নিয়ে গতকাল পদত্যাগ করেছেন কাজাখ প্রধানমন্ত্রী। তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ। খবর: ডয়েচে ভেলে।

তেলসমৃদ্ধ কাজাখস্তানে এলপিজির দাম বেড়ে গিয়েছিল। দেশটির অনেকে এলপিজিতে গাড়ি চালান। সরকার এত দিন দাম নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল বলে গ্যাসোলিনের চেয়ে এলপিজিতে গাড়ি চালানো সস্তা ছিল। তাই মূল্যবৃদ্ধির কারণে শুরু হয় সহিংস প্রতিবাদ। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার প্রথমে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে। বড় শহরগুলোয়

আগে থেকে লকডাউন ছিল। তার পরও পরিস্থিতি সামলানো যায়নি। তাই দুই সপ্তাহের জরুরি অবস্থা জারি করেন প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট। এছাড়া গণজমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এরপর ইস্তফা দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রেসিডেন্ট ইস্তফাপত্র গ্রহণ করে আলিখান স্মাইলভকে কার্যকরী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

গত মঙ্গলবার প্রতিবাদ শুরু হয় দেশটির অয়েল হাব বলে পরিচিত শহর মেঙ্গিস্টায়। শিগগির তা অন্য শহরগুলোয় ছড়িয়ে পড়ে। হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। রাতেও বিক্ষোভকারীরা শহরের রাস্তায় ছিলেন। আলমাটি শহরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ছোড়ে। তখন প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিলেন।

এ বিক্ষোভে অংশ নেন ঝানাওজেন শহরের অনেক মানুষ। এ শহরে ২০১১ সালে এক বিক্ষোভে অংশ নেয়া মানুষের ওপর গুলি চালানো হয়। তখন কমপক্ষে ১৬ জন নিহত হন।

বিক্ষোভকারীরা সরকার ও সামরিক ভবনগুলোয় হামলা করার ডাক দেন। তখন প্রেসিডেন্ট বলেন, এ ধরনের প্রতিবাদ অন্যায়। সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসা উচিত বিক্ষোভকারীদের। এ সহিংসতার পেছনে অভ্যন্তরীণ ও বিদেশিদের হাত রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।