সুশিক্ষা

পরিবর্তনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নারী

বর্তমান বিশ্বনেতৃত্বের ১০ শতাংশের বেশি নারী। তারা ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছেন। নেতৃত্বদানে তাদের অংশগ্রহণ বেড়েই চলেছে। নারীদের এ এগিয়ে যাওয়ায় সবার ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। প্রত্যেক নারীকে তার সক্ষমতাকে প্রস্ফুটিত করার পর্যাপ্ত সুযোগ করে দেওয়া জরুরি।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউ) ছাত্রীদের নিয়ে একটি সেমিনারে এ কথাগুলো বলেন নারীনেতৃত্ব নিয়ে বিশ্বব্যাপী কাজ করা প্রতিষ্ঠান উইডু গ্লোবালের কো-অর্ডিনেটর ও থাইল্যান্ডের রাইজিং ইউথ ফাউন্ডেশনের চিফ অপারেশনস অফিসার সুজানা সেলিম। ইডিইউর সেমিনার হলে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

উইডু গ্লোবাল সমাজে লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে আনতে নারীদের পৃষ্ঠপোষকতা করে। বিশ্বের নানা অঞ্চলের সম্ভাবনাময় নারীদের পড়ালেখায় বৃত্তিদান থেকে শুরু করে নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে অবদান রাখছে উইডু।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, আমাদের লক্ষ্য টেকসই, দক্ষ ও নৈতিক নেতৃত্ব সৃষ্টি, যা রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নতুন দিক উšে§াচন করবে। উইডু গ্লোবালও একই লক্ষ্যে জনগোষ্ঠীর একটি অংশকে নিয়ে কাজ করছে।

ইডিইউতে নারীর বিকাশে পরিপূর্ণ সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়ে সাঈদ আল নোমান আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো নিয়োগ এবং শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও অর্থনৈতিক সুবিধাদানে নীতিগতভাবে মেয়েদের প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ কারণেই হয়তো ইডিইউর সিংহভাগ শিক্ষার্থীই নারী। নবাগতদের মধ্যে জেন্ডার-বেজড সচেতনতা ও নেতৃত্ব সৃষ্টি করছে অ্যাক্সেস একাডেমি। সমতামূলক বিশ্ব বিনির্মাণে ইডিইউর এ পথচলায় উইডু গ্লোবালের যাবতীয় সহযোগিতা আমাদের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে।

সুজানা সেলিম বলেন, এশিয়ার নারীদের পেশাগত ও নেতৃত্বের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ করে দেয় উইডুর রাইজিং স্টার প্রোগ্রাম। নিজেকে উন্নত করার মাধ্যমে সমাজ ও কর্মক্ষেত্রে, প্রতিষ্ঠান কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনায় যে নারীরা টেকসই পরিবর্তন আনতে চায়, উইডু তাদের সহযোগিতা করে।

তামান্না রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে ইডিইউর নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড প্লেসমেন্ট সেলের কর্মকর্তারা ও অর্ধশতাধিক নারী শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

সর্বশেষ..