প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

পল্লী সেতু উন্নয়নে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক: পল্লী এলাকার সড়কগুলোর গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এ প্রকল্পটিসহ আট হাজার ৮৭৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক বৈঠকে প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন  শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে একনেক সদস্যরা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ অন্যান্য সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে বিস্তারিত সাংবাদিকদের জানান পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের গত ছয় মাসে ১৬টি একনেক সভায় দুই লাখ ৬৩ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের ১৩১টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময় ১৭টি সভায় এক লাখ ২৬ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের ১২৭টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

গতকাল একনেক সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে তিন হাজার ৯২৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ, এক হাজার ৮৯০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ উন্নয়ন ও স্যানিটেশন, ৪৫৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে বাগেরহাট জেলায় ৮৩টি নদী/খাল পুনর্খনন এবং  মোংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের নাব্য বৃদ্ধি, ৩৩৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে খামার যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প, ১৬০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে বিনার গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ এবং উপকেন্দ্রগুলোর উন্নয়ন, ৫৬৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে তিন পার্বত্য জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ৯৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে তথ্য ভবন নির্মাণ এবং ৭৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন নবসংযুক্ত শ্যামপুর-দনিয়া-মাতুয়াইল ও সারুলিয়া এলাকার সড়ক অবকাঠামো এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প।

মন্ত্রী বলেন, নদী খননের সময় অপসারিত পলি দিয়ে ব্লক ইট তৈরির বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। একই ছাদের নিচে গণযোগাযোগ, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতর ও ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সরকারের গণযোগাযোগ কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে তথ্য ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, কৃষিখামার যান্ত্রিককরণের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। কৃষিকে আরও বেশি যান্ত্রিককরণের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।