কোম্পানি সংবাদ

পশুখাদ্য উৎপাদন-বিপণনে অনুমোদন পেল সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস

নিজস্ব প্রতিবেদক

পশুর খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বিপণনের অনুমোদন পেয়েছে ওষুধ এবং রসায়ন খাতের কোম্পানি সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর থেকে প্রাপ্ত এ অনুমোদন অনুযায়ী কোম্পানিটি প্রাথমিকভাবে ২০ ধরনের খাদ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বিপণন করতে পারবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যমতে, গত ৩১ অক্টোবর প্রাণিসম্পদ অধিদফতর থেকে সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালসকে প্রাথমিক ২০ ধরনের পশু খাদ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বিপণনের অনুমোদন দেয়। এবং ওই অনুমোদনপত্র কোম্পানিটি গত রোববার ৩ নভেম্বর বিকাল সাড়ে ৪টায় হাতে পায়। কোম্পানির পশুখাদ্য-সংক্রান্ত লাইসেন্স নম্বর ১৫৯ (ক্যাটেগরি-১: ভেট, প্রিমিক্স)।

এদিকে, ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে উদ্যোক্তা ও পরিচালকরা ব্যতীত অন্য বিনিয়োগকারীদের জন্য ছয় শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং সব বিনিয়োগকারীদের জন্য পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ২৫ নভেম্বর বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত হোয়াইট হল কনভেনশন সেন্টারে (হাউজ নং-১৬২/এ, রোড- ২৭ (পুরাতন), ঢাকা-১২০৯) বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামীকাল ৬ নভেম্বর।

আলোচিত সময় কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ১৫ পয়সা এবং ৩০ জুন তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪১ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে এক টাকা ৫২ পয়সা। উল্লেখ্য, কোম্পানিটির মোট ১৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে তিন কোটি ৯৫ লাখ ৪০ হাজার শেয়ার উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের হাতে রয়েছে। এ হিসাবে নগদ লভ্যাংশ হিসেবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রদেয় টাকার পরিমাণ পাঁচ কোটি ৪২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।

এদিকে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দুই দশমিক ৯৪ শতাংশ বা ৫০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ১৬ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১৬ টাকা ৫০ পয়সা। ওইদিন কোম্পানিটির আট লাখ ৬৯ হাজার ৩৭৪টি শেয়ার মোট ৪৫২ বার হাতবদল হয়, যা বাজারদর এক কোটি ৪৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা। ওইদিন শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১৬ টাকা ২০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১৭ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ১৪ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৩৯ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে।

ওষুধ ও রসায়ন খাতের ‘এন’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৩০ কোটি টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৭১ কোটি পাঁচ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট ১৩ কোটি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ১৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ, বিদেশি শূন্য দশমিক শূন্য দুই শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ২৮ দশমিক ৫২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ২২ দশমিক ৯২ ও হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১৪ দশমিক ৩৫।

সর্বশেষ..