প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চে  মালয়েশিয়ার পাম অয়েলের দাম

শেয়ার বিজ ডেস্ক : মালয়েশিয়ার বাজারে গতকাল মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের মতো বেড়েছে পাম অয়েলের দাম। সমজাতীয় ভোজ্যতেলের দাম বাড়ায় এদিন পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চে পৌঁছায় পণ্যটির দাম। খবর স্টার অনলাইন।

বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে গতকাল দিনশেষে আগামী জানুয়ারিতে সরবরাহের চুক্তিতে প্রতি টন পাম অয়েল দুই হাজার ৮০০ রিঙ্গিতে (৬৬১ ডলার ৫৫ সেন্ট) বিক্রি হয়, যা আগের দিনের তুলনায় দশমিক পাঁচ শতাংশ বেশি। এর আগে লেনদেনের শুরুতে পণ্যটির দাম দশমিক আট শতাংশ বেড়ে দুই হাজার ৮০৮ রিঙ্গিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে, গত ১৯ সেপ্টেম্বরের পর এ দর সর্বোচ্চ। এদিন সব মিলে ২০ হাজার ৫৮৮ লট (প্রতি লটে ২৫ টন) পাম অয়েল কেনাবেচা হয়।

সাধারণত ডলারের বিপরীতে মালয়েশিয়ার রিঙ্গিতের দামের ওঠানামার ওপর বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পাম অয়েলের চাহিদা নির্ভর করে। আর এ কারণে পণ্যটির দামে প্রভাব ফেলে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম হ্রাস-বৃদ্ধির কারণেও পাম অয়েলের দামে পরিবর্তন আসে।

কুয়ালালামপুরের ব্যবসায়ীরা যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) ও চীনের ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে সয়াবিনের দামের কথা উল্লেখ করে জানান, বিশ্ববাজারে সমজাতীয় ভোজ্যতেলের দাম বাড়ায় পাম অয়েলের দামে প্রভাব ফেলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে ডিসেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে গতকাল এক দশমিক ছয় শতাংশ দাম বেড়েছে পাম অয়েলের সমজাতীয় তেল সয়াবিনের। বাজারটিতে এ নিয়ে তৃতীয় দিন পণ্যটির দাম বাড়ল। জানুয়ারিতে সরবরাহের চুক্তিতে চীনের ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জেও সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে দশমিক চার শতাংশ। এ বাজারটিতে পাম অয়েলের দাম বেড়েছে এক দশমিক এক শতাংশ।

গত মাসের শুরুতে পণ্যটির দাম টনপ্রতি দুই হাজার ৬৫৩ রিঙ্গিতে নেমেছিল। দেশটিতে পাম অয়েলের অভ্যন্তরীণ মজুদ এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছানো ও অন্যতম শীর্ষ আমদানিকারক দেশ ভারতে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত ভোজ্যতেল আমদানিতে বাড়তি শুল্ক আরোপের খবরে মালয়েশিয়া থেকে রফতানি কমার সম্ভাবনায় পণ্যটির দরপতন হয়েছিল। এখন পণ্যটির চাহিদা বৃদ্ধির খবরে বাজার পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।

অক্টোবরের প্রথম ২০ দিনে ৯ লাখ ৫১ হাজার ৩৩৯ টন মালয়েশিয়ার পাম অয়েল রফতানি হয়েছে। আগের মাসের আট লাখ ৫২ হাজার ২০৬ টনের তুলনায় এটি ১১ দশমিক ছয় শতাংশ বেশি।