করপোরেট কর্নার সুস্বাস্থ্য

পাঁচ হাসপাতালে ২০টি ভেন্টিলেটর দিল টিকে গ্রুপ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: করোনার প্রভাবে অনেকটা বেসামাল চট্টগ্রামের চিকিৎসা খাত। এ অঞ্চলের হাসপাতালে অক্সিজেন, আইসিই বেড, ভেন্টিলেটরসহ অনেক কিছুর সংকট দৃশ্যমান। এসব সংকট পূরণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি শিল্পোদ্যোক্তারা সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসছেন। এবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চট্টগ্রামের পাঁচ হাসপাতালে ২০টি ভেন্টিলেটর দিয়েছে দেশের শিল্পগ্রুপ টিকে গ্রুপ। গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেনের কাছে এসব ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করেন টিকে গ্রুপের প্রতিনিধিরা।

জানা যায়, করোনায় বেসামাল চট্টগ্রামের চিকিৎসা খাতের সংকট পূরণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে টিকে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম এগিয়ে আসেন।

টিকে গ্রুপ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চট্টগ্রামের পাঁচ হাসপাতালকে ২০টি ভেন্টিলেটর দেয়। এর মধ্যে ১০টি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ৩টি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে, ৩টি চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালে, ২টি সার্জিস্কোপ হাসপাতালে এবং ২টি পার্কভিউ হাসপাতালে দেওয়া হয়েছে। গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেনের কাছে এসব ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করেন টিকে গ্রুপের প্রতিনিধি পরিচালক (মার্কেটিং) মো. মোফাচ্ছেল হক।

এ সময় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলম, সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বিসহ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে টিকে গ্রুপের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তারা শেয়ার বিজকে বলেন, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে অসহায় মানুষের জন্য সহায়তার নানাভাবে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে টিকে গ্রুপ। কিন্তু সময়ের সঙ্গে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকলে অনেকটা বেসামাল পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছিল চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবা। এ সংকট কাটাতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে আমরা এগিয়ে আসি। মানুষের জন্য চিকিৎসার জন্য টিকে গ্রুপের এমডি স্যারের নির্দেশে দ্রুত সময়ে চীন থেকে ২০টি ভেন্টিলেটর আমদানি করা হয়, যা আমরা জেলা প্রশাসনকে বুঝিয়ে দিয়েছি। এতে মানুষের কিছুটা উপহার হবে।

উল্লেখ্য, টিকে গ্রুপ চট্টগ্রামভিত্তিক দেশের বৃহৎ একটি শিল্পগোষ্ঠী। এ গ্রুপের মালিকানাধীন ভাগ্যপণ্য, রিফাইনারি, চা, ইস্পাত কারখানা, সিমেন্ট, আবাসন, নেভিগেশন, ডাল মিল, শেয়ার অ্যান্ড সিকিউরিটি, জুতা কারখানা, ট্যানারি, চা বাগান, জাহাজ নির্মাণ ব্যবসায় বহুমাত্রিক ব্যবসা রয়েছে। এছাড়া নতুন নতুন একাধিক খাতে বিনিয়োগ বাড়ছে।  

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..