প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

পাইকারি বাজারে হলুদের দাম কমেছে কেজিতে ২০ টাকা

সাইফুল আলম, চট্টগ্রাম: দুই সপ্তাহের ব্যবধানে হলুদের দাম কমেছে কেজিতে ২০ টাকা। বাজারে সরবরাহ বাড়ায় পণ্যটির দাম কমেছে। দেশি হলুদের বাড়তি সরবরাহে চাপ পড়েছে ভারতীয় পণ্যটির দামেও।

গতকাল দেশের বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে মশলার দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশি হলুদ বিক্রি হয় প্রতি কেজি ১১৫-১১৬ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে যা ১৩৫ টাকারও বেশি দামে লেনদেন হয়েছিল। সে হিসাবে দেশি হলুদের দাম কমেছে কেজিতে ২০ টাকা।

খাতুনগঞ্জ এলাকার মশলা ব্যবসায়ী হাজী আইয়ুব বলেন, গত কয়েক মাস ছিল দেশি হলুদের সরবরাহে ঘাটতি ও আমদানিনির্ভরতায় পণ্যটির বাজার ছিল ঊর্ধ্বমুখী। কিন্তু বাজারে দেশি হলুদের সরবরাহ বাড়তে থাকায় দামও নি¤œমুখী। কয়েক মাস পর মশলাজাতীয় পণ্য হলুদের দাম কমলো।

খাতুনগঞ্জে গত ১৫ দিন ধরে দেশি পণ্যের বাড়তি সরবরাহের প্রভাবে ভারতীয় হলুদের দাম কমেছে কেজিতে ৭-৯ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, দুই সপ্তাহ আগে পাইকারিতে ভারতীয় হলুদ প্রতি কেজি ১১২-১১৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, যা গতকাল সর্বোচ্চ ১০৬ টাকায় লেনদেন হয়।

আরেক পাইকারি মশলা ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন বলেন, দেশি হলুদের সরবরাহ চাপে পণ্যটির দাম আরও কমতে পারে। দেশি হলুদের সরবরাহ বেশি থাকায় বাজারের এ দাম সহনীয়। তিনি আরও বলেন, দেশে হলুদের বাজার নির্ভর করে ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যটির ওপর। তিন-চার মাস ভারতের বাজারে পণ্যটির দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে হলুদের সরবরাহ বেড়েছে। বাড়তি সরবরাহের কারণে মৌসুমের এ সময় পণ্যটির দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, তিন পার্বত্য অঞ্চল খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান থেকে প্রতিদিন প্রায় ৬০ টনের দেশি হলুদ সরবরাহ হচ্ছে। বছরের এ সময় পণ্যটির দাম কমে আসে। অতিরিক্ত সরবরাহে ১৫ দিন ধরে পণ্যটির দাম নি¤œমুখী।