প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

পাওয়ার গ্রিডের ১২ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির ঘোষিত নগদ ১২ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনের মুক্তি হলে কোম্পানির ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম)  বিনিয়োগ-কারীদের মতামতের ভিত্তিতে এ লভ্যাংশ  দেওয়া হয়।

বার্ষিক সাধারণ সভায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঞ্চালন অবকাঠামো ও সম্পত্তির অবশিষ্ট মূল্য বাবদ সমপরিমাণ টাকার শেয়ার ইস্যু করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এতে বিপিডিবিকে প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের ২৫ কোটি ১৮ লাখ ১৪ হাজার শেয়ার ইস্যু করা হবে। যার বাজারমূল্য ২৫১ দশমিক ৮১৪ কোটি টাকা।

এজিএমে গত ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হওয়া অর্থবছরে কোম্পানি নিরীক্ষিত লাভ-ক্ষতি হিসাব, স্থিতিপত্র, পরিচালকদের প্রতিবেদন ও বহির্নিরীক্ষকগণের প্রতিবেদন সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়েছে। চারজন স্বতন্ত্র পরিচালকের পুনঃনিয়োগও শেয়ারমালিকরা অনুমোদন করে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) মো. আবুল কালাম আজাদ, বিদ্যুৎ বিভাগের সাবেক সচিব মনোয়ার ইসলাম, বিপিডিবি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ, আবু আলম চৌধুরী, প্রকৌশলী এসএম খাবীরুজ্জামান পিইঞ্জ, ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, শেখ মো. আবদুল আহাদ, ড. এবিএম হারুন-উর-রশিদ, একেএমএ হামিদ, মেজর জেনারেল মঈন উদ্দিন এবং মাসুম-আলবেরুনী।

এদিকে কিছু দিন যাবত এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও বর্তমানে এর দর নি¤œমুখী রয়েছে। গত সপ্তাহের শেষদিনে এ শেয়ার ৫৬ টাকায় লেনদেন হয়। দর ওঠানামা করে ৫৫ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৫৭ টাকা ৭০ পয়সার মধ্যে। এদিন মোট শেয়ার লেনদেন হয় ছয় লাখ ৮১ হাজার ৭০৫টি।  আর শেয়ারগুলো হাতবদল হয় ৩৪ হাজার ৩০০ হাওলার মাধ্যমে।

এদিকে গত এক বছরের লেনদেনের চিত্র লক্ষ করলে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার সর্বনি¤œ ৪৬ টাকায় লেনদেন হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৯ টাকা ৬৯ পয়সায় লেনদেন হয়। কোম্পানির লভ্যাংশের দিকে তাকালে দেখা যায়,  গত বছর কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেন। এর আগের বছর যার পরিমাণ ছিল ১০ শতাংশ। কোম্পানিটি সর্বশেষ বোনাস শেয়ার  দেন ২০১২ সালে। ওই বছর শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার  দেওয়া হয়।

‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিতে মোট শেয়ারের মধ্যে ৭৬ দশমিক ২৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সরকারের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১৮ দশমিক ২৮ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারের মধ্যে ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারী এবং বিদেশিদের কাছে রয়েছে দশমিক ২১ শতাংশ শেয়ার।