দুরে কোথাও

পাসপোর্ট-সময়-ভ্রমণ: পৃথিবীর ছাদ বলিভিয়া

পর্যাপ্ত সময় ও পাসপোর্ট থাকলে বিনা ভিসায় কিছু দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন। আজ এমন একটি দেশ বলিভিয়ার কথা জানাচ্ছেন মো. ইমরান হোসেন

বাংলাদেশ থেকে ভিসা ছাড়া বিশ্বের কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করা যায়। এক দিন বা দু দিন নয়, চাইলে সেখানে মাসখানেক কাটিয়ে আসতে পারবেন। জানতে পারবেন সেখানকার সংস্কৃতি, জীবন-জীবিকাসহ অনেক কিছু। এমনই একটি দেশ বলিভিয়া। পর্যটক হিসেবে বেশ কিছুদিনের জন্য দেশটিতে ঘুরে বেড়াতে চাইলে তবেই অন অ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন। শুরুতে জেনে নেওয়া যাক দেশটির পরিচিতি।

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়া। দেশটি ‘পৃথিবীর ছাদ’ নামে পরিচিত। বলিভিয়াতে আছে পর্বতশৃঙ্গ, উš§ুক্ত মালভূমি। রয়েছে সবুজ তৃণভূমি ও ক্রান্তীয় বনাঞ্চল।

লেক টিটিকাকা

নীল পানির লেক টিটিকাকা। এটি শুধু সুন্দরই নয়, দেশটির অন্যতম ল্যান্ডমার্ক ও একই সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচুতে থাকা লেক। এখানে নৌকায় চড়ে বেড়াতে পারবেন। অসাধারণ প্রকৃতি, গ্রাম্যজীবন, চাষাবাদের দৃশ্যÑঅনেক কিছুই চোখে পড়বে এখানে এলে। দেখতে পাবেন ইনকা সভ্যতার অনেক ধ্বংসাবশেষও।

তিওয়ানাকু

তিওয়ানাকু এক রহস্যময় স্থাপনা। এর নিদর্শনগুলো অনেক পুরোনো। এর অবস্থান পশ্চিম বলিভিয়ায়। ইনকাদের গুরুত্বপূর্ণ জনবসতি ছিল এখানে। এটি পুরোনো হলেও আধুনিক। ইউনেস্কো এই অঞ্চলকে বিশ্বঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে ২০০০ সালে।

লা পাজ

বরফঢাকা পর্বতের সারি অতুলনীয় করে তুলেছে লা পাজ শহরটিকে। পর্বতের দৃশ্য যেন কোনো বিখ্যাত আলোকচিত্রীর তোলা ছবি। এটি বলিভিয়ার তৃতীয় জনবহুল শহর।

ইয়াঙ্গাস রোড

বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক সড়কগুলোর মধ্যে একটি ইয়াঙ্গাস রোড। এই সড়কে গাড়ি চালানো খুবই বিপজ্জনক, কিন্তু রোমাঞ্চকর। পর্বত কেটে রাস্তাটি তৈরি করা হয়েছে। অনেক সাহসী পর্যটক প্রতিবছর এখানে আসেন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য।

মাদিদি ন্যাশনাল পার্ক

আন্দেজ থেকে সাত হাজার বর্গমাইল দূরে আমাজনের গহিনে মাদিদি ন্যাশনাল পার্কের অবস্থান। বিশ্বের অন্যতম সুন্দর জীববৈচিত্র্যময় এলাকা একটি। কী নেই এখানেÑঅপূর্ব নদী, বাতাসের খেলা, ঘাসবিছানো জমি, হ্রদ, খাড়া ঢাল প্রভৃতি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর।

অরুরো কার্নিভাল

আল্টিপ্লানো অঞ্চলে প্রতিবছর এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। অনন্য এই উৎসবে আপনি উপভোগ করতে পারবেন ফোক নাচ, নাচিয়েদের মজার ভূষণ, সুন্দর ক্রাফট আইটেম ও লাইভ মিউজিক। এই উৎসব চলে টানা ২০ ঘণ্টা। অসংখ্য পর্যটক এ উৎসবে অংশ নেন। বলিভিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় উৎসব এটি। আপনিও এই উৎসবে অংশীদার হওয়ার অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। এজন্য আগে থেকে সময়টা অবশ্যই জেনে যাবেন।

সুক্রে

বলিভিয়ার রাজধানী ও সবচেয়ে সুন্দর শহর। স্থানীয় সংস্কৃতি উপভোগ করতে চাইলে এখানে আসতে হবে। ষোড়শ শতকে স্প্যানিয়ার্ডরা শহরটির গোড়াপত্তন করেন। এটি ইউনেস্কো-ঘোষিত বিশ্বঐতিহ্যের অন্যতম। ঐতিহাসিক সব দালান ও স্থাপনা মুগ্ধ করবে আপনাকে। হ

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..