প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

পুনর্মূল্যায়নের পর সম্পদ কমেছে এক্সিম ব্যাংকের

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুনর্মূল্যায়নের পর ১৪৫ কোটি ২৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৫৮ টাকার সম্পদ কমেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, এমআরএইচ দে অ্যান্ড কোং, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস বা সিএ ফার্মের মাধ্যমে এক্সিম ব্যাংক তাদের নিজস্ব জমি ও ভবন পুনর্মূল্যায়ন করেছে। এতে কোম্পানিটির জমির মূল্য ৩৫৪ কোটি ৪৪ লাখ ৬০ হাজার ৫০৩ টাকা থেকে কমে ২৮৪ কোটি ১৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। ভবন এবং নির্মাণাধীন সম্পদের মূল্য ১৮২ কোটি ৪১ লাখ ৯৮ হাজার ৮৪৩ টাকা থেকে কমে ১০৮ কোটি ২৯ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। আর ইজারার সম্পদের মূল্য ২১ কোটি ২৯ লাখ ১০ হাজার ৭৬২ টাকা থেকে কমে ২০ কোটি ৪৪ লাখ ৮০ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংকটির বুক ভ্যালুতে মোট স্থায়ী সম্পদ ৫৫৮ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার ১০৮ টাকা থেকে কমে ৪১২ কোটি ৮৮ লাখ ৮১ হাজার ১৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ ব্যাংকটির সম্পদ কমেছে ১৪৫ কোটি ২৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৫৮ টাকা।

উল্লেখ্য, ‘এ’ ক্যাটেগরির এ ব্যাংকটি ২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। দুই হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৪৪৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ৬৯৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১৪৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩২ দশমিক ৬১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৯ দশমিক ১৩ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারী দশমিক ৯৭ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৭ দশমিক ২৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

ব্যাংক খাতের এ কোম্পানিটি সর্বশেষ ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৪৯ পয়সা। আর ৩১ ডিসেম্বর তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৭২ পয়সা। এছাড়া ওই হিসাববছরে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থ প্রবাহ হয়েছে ৯ টাকা ৩৭ পয়সা। এর আগে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য সাড়ে সাত শতাংশ নগদ এবং আড়াই শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৯৯ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা
৬৬ পয়সা।