প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

পেপার প্রসেসিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের শেয়ারদর বেড়েছে ১৫ শতাংশ

সাপ্তাহিক বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কাগজ ও মুদ্রণ খাতের কোম্পানি পেপার প্রসেসিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড গত সপ্তাহে দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ১৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, গত সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড় লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ২১ লাখ ৬৩ হাজার ৬০০ টাকার শেয়ার। সপ্তাহ শেষে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ২১ কোটি ৮ লাখ ১৮ হাজার টাকা।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর ডিএসইতে দশমিক ৩৭ শতাংশ বা ৮০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ২১৫ টাকা ৭০ পয়সায় হাত বদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল একই। দিনজুড়ে ২ লাখ ১৬ হাজার ৬৯৯টি শেয়ার মোট এক হাজার ৯৫৪ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৪ কোটি ৭২ লাখ ২০ হাজার টাকা। দিনভর কোম্পানিটির শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২১৩ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২২২ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন করে।

১৯৯০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি। ২৫ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ১৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং মোট এক কোটি চার লাখ ৪৯ হাজার ৬০০ শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে ৩৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২২) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭৯ পয়সা। অর্থাৎ, ইপিএস বেড়েছে ৯ পয়সা। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৪৬ পয়সা। আর প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ২৩ পয়সা (ঘাটতি)।

২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৮ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৬২ পয়সা। ৩০ জুন, ২০২২ তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৫৯ পয়সা। এর আগে ২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৩৪ পয়সা। ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৯৭ পয়সা।

তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা মুন্নু এগ্রো অ্যান্ড জেনারেল মেশিনারিজ লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ১৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে থাকা আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ১৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ। চতুর্থ অবস্থানে থাকা বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকস লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ১৩ দশমিক ৩১ শতাংশ। এর পরের অবস্থানগুলোয় থাকা যথাক্রমে জেমিনি সি ফুড লিমিটেডের ১১ দশমিক ০৮ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে। বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ১০ দশমিক ৬১ শতাংশ, ফাইন ফুডস লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ১০ দশমিক ১৬ শতাংশ, এপেক্স ফুডস লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।