প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

প্রথম তিন প্রান্তিকে ইপিএস কমেছে ফু-ওয়াং সিরামিকের

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২২) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিরামিক খাতের কোম্পানি ফু-ওয়াং সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। আর এই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) অপরিবর্তিত থাকলেও প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই, ২০২১-মার্চ, ২০২২) কোম্পানিটির ইপিএস পাঁচ পয়সা কমেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২২) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ছয় পয়সা, আগের বছরও একই সময়ে যা ছিল ছয় পয়সা। অর্থাৎ তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস অপরিবর্তিত রয়েছে। অন্যদিকে চলতি হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই, ২০২১-মার্চ, ২০২২) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৩ পয়সা, আগের হিসাববছরের একই সময়ে যা ছিল ২৮ পয়সা। সে হিসেবে আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ইপিএস কমেছে পাঁচ পয়সা। ৩১ মার্চ, ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৭৮ পয়সা। আর প্রথম তিন প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে এক টাকা ৬৫ পয়সা (ঘাটতি)।

এর আগে ৩০ জুন, ২০২১ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ছাড়া কেবল সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য দুই শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৪ পয়সা এবং ৩০ জুন, ২০২১ তারিখে শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৭০ পয়সা। এই হিসাববছরে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৫১ পয়সা।

‘বি’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ১৯৯৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৩৬ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির ১৩ কোটি ৬২ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩ শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে ২৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে আট দশমিক ৬৯ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীর কাছে শূন্য দশমিক ৪০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৬৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ বা ৩০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ১৯ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল একই। দিনজ–ড়ে ৩১ লাখ ৭৯ হাজার ২৫৩ শেয়ার এক হাজার ২৫০ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১৯ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১৯ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ১২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ২৮ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।